এইবারের বর্ষার মরশুমে দূষণ কমেছে, এও এক সাফল্য বটে। সেই ‘কৃতিত্ব’ই তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা
শেষ আপডেট: 3 August 2025 23:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লির বাতাসে দূষণের মাত্রা বরাবরই খবরের শিরোনামে থেকেছে। তবে এইবারের বর্ষার মরশুমে সেই দূষণ কমেছে, এও এক সাফল্য বটে। সেই ‘কৃতিত্ব’ই তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।
রবিবার তিনি জানান, গত এক দশকে এই প্রথমবার দিল্লির এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI) ৭৪-তে এসে ঠেকেছে, যা অত্যন্ত সন্তোষজনক মাত্রা, দাবি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর।
গ্রেটার কৈলাশ বিধানসভা কেন্দ্রের একটি ‘জন সেবা কেন্দ্র’ উদ্বোধনের মঞ্চে রেখা গুপ্তা বলেন, “দূষণ কমানো ছাড়াও আমাদের লক্ষ্য যমুনার জল পরিষ্কার করা ও শহরের আবর্জনার পাহাড় সরানো। আমরা এই তিনটি কাজেই একযোগে মন দিয়েছি।”
সম্প্রতি পুরনো যানবাহনের (End-of-Life vehicles) উপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগের প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী জানান, দিল্লি সরকার বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরেছিল। আদালত সেই নিষেধাজ্ঞার উপর ১ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিতাদেশ দিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, “এই সরকার আর আগের সরকারের মতো ফাঁকা প্রতিশ্রুতি দেয় না। আজকের সরকার সত্যিই দিল্লির দূষণ কমাতে কাজ করছে।” তিনি বলেন, শহরকে এমনভাবে গড়ে তুলতে চান যাতে মানুষ অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য না হন।
সঙ্গে আরও একটি বড় ঘোষণা করেন তিনি। দিল্লিতে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২৪x৭ খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শীঘ্রই এই প্রক্রিয়ার লাইসেন্স ব্যবস্থাও সরলীকরণ করে এক-জানালা পদ্ধতি (single window system) চালু করা হবে।
এর আগের এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দিল্লিতে প্রতি ১,০০০ জন রোগীর জন্য বর্তমানে যেখানে ২.৭টি বেড রয়েছে, তা বাড়িয়ে ৫টি করার লক্ষ্যে কাজ করছে তাঁর সরকার।
তিনি আরও জানান, রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার জন্য PPP (Public-Private Partnership) মডেল চালু করা হবে এবং পূর্বতন সরকার দ্বারা স্থগিত ২৪টি হাসপাতাল প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।
পরে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ এক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “আজ গ্রেটার কৈলাশ বিধানসভায় জন সেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হলো। এই কেন্দ্র সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধানে, সরকারি প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য দিতে ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।”
তিনি আরও লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সুশাসনের সংকল্পে অনুপ্রাণিত হয়ে বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন সরকার নিশ্চিত করছে, উন্নয়ন, পরিষেবা ও অধিকার সময়মতো সমাজের শেষ মানুষের কাছেও পৌঁছায়।”