
ওয়ানাড়ে ধস কবলিত এলাকায় এখনও চলছে উদ্ধারকাজ।
শেষ আপডেট: 6 August 2024 16:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরকারি হিসেবে ওয়ানাড়ে মৃতের সংখ্যা ২২৬ এবং নিখোঁজের সংখ্যা ১৮০ জন। তবে বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, মৃতর সংখ্যা ইতিমধ্যে ৪০০ পেরিয়েছে। ধ্বংসস্তুপের নীচে কোথাও এখনও কেউ জীবিত রয়েছেন কি না, চলছে সেই কাজও। এরই মধ্যে সকলের পুনর্বাসনের প্রশ্নে বড় দাবি করলেন কেরলের ভূমি রাজস্ব মন্ত্রী কে রাজন।
তাঁর কথায়, "সকলকে আমরা পুনর্বাসন দিতে বদ্ধ পরিকর।" এই সকলকে বলতে তিনি কী বোঝাতে চাইছেন তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন রাজন। কেরলের ভূমি রাজস্ব মন্ত্রীর কথায়, “পুনর্বাসন মানে শুধু জমি ও বাড়ি দেওয়া নয়। শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ানোর ব্যবস্থা থেকে শুরু করে বয়স্কদের পর্যন্ত জীবনের সব দিকই এতে জড়িত। সরকার তাদের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং এটি বিশ্বের জন্য একটি মডেল হবে।”
যারা দুর্যোগ-কবলিত এলাকার আশেপাশে বসবাস করছেন কিন্তু সেখানে আর থাকতে ভয় পান তাদেরও পুনর্বাসন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। এমনকী দুর্যোগে যাঁরা মোবাইল ফোন হারিয়েছেন তাঁদের শীঘ্রই একই নম্বর-সহ ফোন দেওয়া হবে। এর ফলে বাকি নিখোঁজদের অনুসন্ধানের কাজে সুবিধা হবে বলে মনে করছে সরকার।
৩০ জুলাইয়ের ভূমিধসে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মেপ্পাদি পঞ্চায়েতের চুরালমালা, মুন্ডাক্কাই এবং পুঞ্চিরিমত্তম এলাকা। সংশ্লিষ্ট তিনটি এলাকা বসতি কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। সরকার জানিয়েছে, বাকি নিখোঁজদের তালিকা তৈরি করতে কাজে লাগানো হবে অঙ্গনওয়াড়ি এবং আশা কর্মীদেরও। নিখোঁজ ব্যক্তিদের শনাক্ত করার জন্য রেশন কার্ডই হবে মৌলিক নথি। সোমবার এক বিবৃতিতে কেরলের সরকার জানিয়েছিল, ধসের জেরে ৩৫২টি বাড়ি সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। ১২২টি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবারও চলছে উদ্ধার কাজ। শেষ মুহূর্তের উদ্ধার কাজে সেনাবাহিনী, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর পাশাপাশি হাত লাগিয়েছে কেরল ও তামিলনাড়ুর ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিসের কর্মীরা। এদিন ভূমি রাজস্ব মন্ত্রী রাজনের সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন বনমন্ত্রী এ.কে. সসেন্দ্রন। তিনি জানান, চুড়ামালায় নদীর ওপর নতুন সেতু নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর তৈরি বেইলি ব্রিজটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য খোলা থাকবে।