প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বিদেশি সরঞ্জামের উপর নির্ভরতা অনেকটাই কমিয়ে এনেছে ভারত (India)। বরং জোর দিচ্ছে ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তির দিকে। অথচ চুক্তির পর চুক্তি সই হয়ে যাচ্ছে, সরঞ্জাম সরবরাহ সময় মতো করে না সংস্থাগুলি। সেই কথা মনে করিয়ে দিয়েই যুদ্ধসরঞ্জাম দিতে কেন দেরি করা হয়, প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির উদ্দেশে প্রশ্ন রাখলেন ভারতের বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল অমরপ্রীত সিং। একরাশ বিরক্তি নিয়ে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে যুদ্ধ সরঞ্জাম সরবরাহ করা হবে, এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে যদি তা পূরণই না করা হয়, তাহলে কথা দেওয়ার মানেটা কী!

অমরপ্রীত সিং
শেষ আপডেট: 29 May 2025 16:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বিদেশি সরঞ্জামের উপর নির্ভরতা অনেকটাই কমিয়ে এনেছে ভারত (India)। বরং জোর দিচ্ছে ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তির দিকে। অথচ চুক্তির পর চুক্তি সই হয়ে যাচ্ছে, সরঞ্জাম সরবরাহ সময় মতো করে না সংস্থাগুলি। সেই কথা মনে করিয়ে দিয়েই যুদ্ধসরঞ্জাম দিতে কেন দেরি করা হয়, প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির উদ্দেশে প্রশ্ন রাখলেন ভারতের বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল অমরপ্রীত সিং (Amar Preet Singh)। একরাশ বিরক্তি নিয়ে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে যুদ্ধ সরঞ্জাম সরবরাহ করা হবে, এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে যদি তা পূরণই না করা হয়, তাহলে কথা দেওয়ার মানেটা কী!
বৃহস্পতিবার দিল্লির এক অনুষ্ঠানে তখন উপস্থিত ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। সেই সময়ই বক্তব্য রাখছিলেন এয়ার চিফ মার্শাল অমরপ্রীত সিং। 'অপারেশন সিঁদুরে' (Operation Sindoor) ভারতীয় বাহিনীর শৌর্য এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দেশের আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার কথা বলছিলেন তিনি। এমন সময় তিনি বলেন, "আমার মনে হয়, একটিও এমন প্রকল্প নেই, যা সময় মতো সম্পন্ন হয়েছে। সময়সীমা (টাইমলাইন) একটা বড় সমস্যা।"
তিনি বলেন, "এই বিষয়টির দিকে আমাদের নজর দেওয়া উচিত। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম চুক্তি সই করার সময়, বেশিরভাগ সময়ই আমরা নিশ্চিত থাকি যে তা সময় মতো পাওয়া যাবে না। তবু চুক্তি সই করি। সময় যখন সরবরাহই করতে পারবে না তাহলে এমন কোনও প্রতিশ্রুতি আমরা দিতেই বা যাব কেন যা পূরণ করতে পারব না?"
এই সরঞ্জাম তৈরিতে ঢিলেমির জন্য যে দেশীয় সংস্থাগুলিকেই তিনি কাঠগড়ায় তুলেছেন তা পরিষ্কার। এ কথা বলার কারণ, উদাহরণ হিসাবে তেজস এমকে ১এ যুদ্ধবিমান সরবরাহে দেরি হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন চিফ মার্শাল।
ঘটনা হল, '২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে হিন্দুস্তান এরোনটিক্স লিমিটেড (হ্যাল)-এর সঙ্গে ৪৮ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করেছিল ভারত সরকার। যেখানে বলা ছিল '২৪ সালের মার্চ মাস থেকে ৮৩টি যুদ্ধবিমান এক এক করে দেওয়া শুরু করবে সংস্থা। অবাক করা কাণ্ড হল, এখনও অবধি তার একটাও সরবরাহ করা হয়নি।