বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়াল্লা কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘বি যদি বিহার আর বিড়ি হয়, তবে সি-ও জানা উচিত— সি মানে কংগ্রেস, সি মানে কোরাপশন (দুর্নীতি)।’’
.jpeg.webp)
রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস
শেষ আপডেট: 5 September 2025 16:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রের জিএসটি (Centre GST) সংস্কার নিয়ে কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে প্রবল রাজনৈতিক বিতর্ক। কেরল প্রদেশ কংগ্রেসের (Kerala Congress) পক্ষ থেকে এক্স-এ দেওয়া সেই পোস্টে লেখা হয়েছিল— ‘‘বি মানে বিড়ি, বি মানে বিহার। দু’টোকেই আর পাপ বলা যাবে না।’’ (Bidis and Bihar start with B) ইঙ্গিত ছিল, বিড়ির উপর কর কমানোর সিদ্ধান্তের দিকে। যদিও বিতর্ক ছড়াতেই পোস্টটি মুছে ফেলা হয়।
প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ রাশিদ আলভি কেন্দ্রকে প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, ‘‘বিড়ির ট্যাক্স ২৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হল কেন? স্পষ্টতই আসন্ন বিহার বিধানসভা ভোটের কথা ভেবেই বিজেপি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’’
অন্যদিকে, বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সম্রাট চৌধুরীর তোপ, ‘‘এটা গোটা বিহারের অপমান। আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মাকে নিয়ে কটাক্ষ, আর এখন পুরো বিহারবাসীকে হেয় করা— এটাই কংগ্রেসের চরিত্র।’’
জেডিইউ নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় কুমার ঝা কংগ্রেসকে আক্রমণ করে লেখেন, ‘‘বি মানে শুধু বিড়ি নয়, বি মানে বুদ্ধি, যা কংগ্রেসের নেই। বি মানে বাজেটও, যা বিহার বিশেষ সাহায্য পেলে কংগ্রেসকে কষ্ট দেয়। এই ধরনের পোস্ট শুধু বিহারের মানুষকেই নয়, দেশের গৌরবময় ইতিহাস এবং গণতন্ত্রকেও অপমান করেছে।’’ তিনি সতর্ক করে দেন, ‘‘আগামী নির্বাচনে বিহারের মানুষ এর জবাব দেবে।’’
বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়াল্লা কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘বি যদি বিহার আর বিড়ি হয়, তবে সি-ও জানা উচিত— সি মানে কংগ্রেস, সি মানে কোরাপশন (দুর্নীতি)।’’
জিএসটি কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিড়ির উপর কর এখন ১৮ শতাংশ, যা আগে ছিল ২৮ শতাংশ। বিড়ির মোড়ক হিসেবে ব্যবহৃত তেন্ডু পাতার করও ১৮ থেকে নামিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে, ৫, ১২, ১৮ ও ২৮ শতাংশের চার দফা হারের পরিবর্তে ব্যবস্থা সহজ করে দু'টি স্ল্যাব রাখা হচ্ছে— ৫ ও ১৮ শতাংশ। তবে তামাক ও সিগারেটের মতো কিছু নির্বাচিত দ্রব্যের জন্য বিশেষ ৪০ শতাংশ করস্ল্যাব প্রস্তাবিত হয়েছে।