
শেষ আপডেট: 10 December 2023 20:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২৭০-৮০-৯০...
এ যেন ভোট গণনার থেকেও বেশি উত্তেজক, রোমাঞ্চকর! ঝাড়খণ্ডের কংগ্রেস সাংসদ ধীরজ সাহুর ওড়িশার মদ ফ্যাক্টরিতে সেই শুক্রবার হানা দিয়েছিলেন আয়কর আধিকারিকরা। সেই দিনই প্রকাশ্যে এসেছিল, হাত-শিবিরের রাজ্যসভার সাংসদের ফ্যাক্টরির অফিস ঘরে লোহার তাকে বই রাখার মতো করে ঠেসে রাখা বান্ডিল বান্ডিল নোট। সেই টাকা গুনতে ভিনরাজ্য থেকে আনা হয়েছে ৪০টি মেশিন।
এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমান ২৯০ কোটি! চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে তুমুল বিতর্কের মধ্যেই নতুন করে উঠে এসেছে সাংসদের নোটবন্দির বিরোধিতা করে লেখা পোস্ট। সেই পোস্ট তুলে এনে বিজেপি এখন কার্যত তুলোধনা করছে কংগ্রেসকে। তিন রাজ্যে হারের পর লোকসভা ভোটের আগে এমন ঘটনায় স্বভাবতই চূড়ান্ত অস্বস্তিতে হাত শিবির।
শনিবার থেকেই ধীরজের নোটবন্দির বিরোধিতা করার একাধিক পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সেই নিয়ে এবার বিজেপি নেতা শাহজাদ পুনাওয়ালা রবিবার একহাত নিলেন ঝাড়খণ্ডের সাংসদকে। এক্স হ্যান্ডেল এ তিনি লেখেন, "এবার বুঝতে পারছি ধীরজ সাহু এবং কংগ্রেস কেন নোটবন্দির এতটা বিরোধিতা করেছিলেন।"
তিনি আরও লেখেন, "দুর্নীতির দোকানে বেইমানির জিনিসপত্র!" একজন এমপি=৫০০ কোটি, তাহলে ৫২ জন সাংসদ= কত? জনসাধারণকে অংক কষতে দিয়েছেন শাহজাদ। তাঁর কথা অনুযায়ী, কংগ্রেস হল আসলে ঘোঁটালার গ্যারান্টি।
প্রসঙ্গত, ধীরজের বাড়িতে প্রাথমিকভাবে নোট গণনা শুরু করেছিলেন ৩০ জন আধিকারিক এবং ব্যাংক কর্মী। কিন্তু পাহাড় প্রমাণ টাকা দেখার পর ইনকাম ট্যাক্সের তরফ থেকে বিভিন্ন রাজ্য থেকে ৪০টি বড় এবং ছোট টাকা গোনার মেশিন আনানো হয়। নোট গুনতে গিয়ে বেশ কয়েকটি মেশিন ভেঙেও গেছে বলে জানা গেছে। তাতেও গণনা শেষ হচ্ছে না। বাকি টাকা গুনে শেষ করার জন্য আরও কর্মী এবং মেশিন আনানোর কথা ভাবছে আয়কর দফতর, এমনটাই জানা গেছে। কংগ্রেস নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই ওই নেতার সঙ্গে দূরত্ব বাড়ালেও লোকসভা ভোটের আগে এমন কাণ্ডে তাঁরা যে অত্যন্ত বিড়ম্বনায় পড়েছেন তা স্পষ্ট।