গুজরাটের মেহসানায় স্কুলের ভেতর দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ইঞ্জেকশন দিয়ে পরপর দু’দিন নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। পকসো আইনে মামলা, অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 23 November 2025 08:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্কুলের ভেতরে দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে গুজরাটে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, মেহসানার বিজাপুরে স্কুলের একটি বাগানে টেনে নিয়ে গিয়ে ৭ বছর বয়সী ওই খুদে ছাত্রীকে এক যুবক অজ্ঞান করার ইঞ্জেকশন দেন এবং তারপর দু'বার ধর্ষণ করেন।
পুলিশ সূত্রে খবর, এই মর্মান্তিক ঘটনার সূত্রপাত হয় ১৯ নভেম্বর। অভিযোগ, ওই দিন অভিযুক্ত যুবক খুদে ছাত্রীকে স্কুলের বাগানের পিছনে টেনে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করেন এবং এই কথা কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এরপর ২০ নভেম্বর অভিযুক্ত যুবক আবারও ছাত্রীকে বাগানে টেনে নিয়ে যান এবং তাকে অজ্ঞান করার ইঞ্জেকশন দেন, যার পর তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
পেটে প্রবল যন্ত্রণা নিয়ে বাড়ি ফিরলেও ভয়ে কাউকে কিছু বলেনি ছাত্রীটি। পরে মা-বাবা জোরাজুরি শুরু করলে পুরো ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রীর বাবা বিজাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বর্তমানে ওই খুদে ছাত্রীটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তার চিকিৎসা চলছে। শিশুটিকে কীসের ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছে, তা জানতে মেডিক্যাল পরীক্ষা (Medical Examination) করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ঘটনার তদন্তে নেমে বিজাপুর থানার ইনস্পেক্টর জিএ সোলাঙ্কি জানিয়েছেন, "অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে পকসো আইনে (POCSO Act) মামলা দায়ের হয়েছে।" পুলিশ স্কুলের সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। যদিও এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার (Arrest) করা সম্ভব হয়নি এবং তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছে।