কখনও নির্বাচন স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে কমিশন, আবার কখন সমাধান হিসেবে উঠে এসেছে পুনর্নির্বাচন।

শেষ আপডেট: 14 November 2025 11:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এই বছর বিহারে ভোটদান (Bihar vote) হয়েছে ৬৬.৯১%, যা ১৯৫১ সালের প্রথম বিধানসভা নির্বাচনের (Bihar Election) পর থেকে সর্বোচ্চ। ২০২০ সালে এই ভোটদানের হার ছিল ৫৬.৯৩ শতাংশ।
বিহারের মতো রাজ্যে এর আগে বহুবার হিংসা, কারচুপির মতো ঘটনা ঘটেছে ভোটের সময়। কখনও নির্বাচন স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে কমিশন, আবার কখন সমাধান হিসেবে উঠে এসেছে পুনর্নির্বাচন।
কী বলছে বিহারে ভোটের ইতিহাস?
২০০৫ - হিংসার ঘটনা, কারচুপি কাণ্ডে বিহারের ৬৬০টি বুথে আবার নির্বাচন।
১৯৯৫ - একই ঘটনার জন্য ৪ বার বিহারে ভোট স্থগিত করেছিলেন দেশের তৎকালীন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার টি এন শেষন।
১৯৯০ - বিহারের নির্বাচনের সময় মৃত্যু হয় ৮৭ জনের।
১৯৮৫ - ভোটের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ৬৩ জনের মৃত্যু হয়, ১৫৬টি বুথে আবার নির্বাচন করানো হয়।
যদি ধরতেই হয়, তাহলে বলা যেতে পারে, ২০২৫-এর নির্বাচনের আবহে লখিসরাইতে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী বিজয় সিনহার দিকে পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠে এসেছিল, আর সন্দেহের তীর ছিল আরজেডির দিকে।
তবে, ২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে গতকালই তেজস্বী অভিযোগ করেন, “তখনও জনমত মহাগঠবন্ধনের পক্ষেই ছিল, কিন্তু কিছু নতজানু অফিসারের কারচুপির ফলে ফলাফল ঘুরে যায়।”
সবমিলিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে বিহারের ভোট। এবারের দু'দফায় ভোট হয়েছে বিহারে। নিয়ম মেনে ১৪ তারিখ, অর্থাৎ, আজ সকাল ৮টার পর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে ভোট গণনা।
প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গোনা শুরু হয়। তার পর এবার খোলা হয়েছে ভোটিং মেশিন। গণনা প্রক্রিয়ায় অযথা কোনও দেরি না হলে বা বিঘ্ন না ঘটলে মোটামুটি ভাবে সকাল ১১ টা নাগাদ ট্রেন্ড অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।