পাটনার অভিজাত গান্ধী ময়দান এলাকায় নিজের গাড়ি থেকে নামার মুহূর্তেই গুলিবিদ্ধ হন ব্যবসায়ী গোপাল খেমকা। ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গোপাল খেমকার দাদা শঙ্কর খেমকা।

রাহুল গান্ধী
শেষ আপডেট: 6 July 2025 11:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্যবসায়ী ও বিজেপি নেতা গোপাল খেমকাকে (BJP Leader Gopal Khemka ) গুলি করে খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) বিহার সরকার (Bihar Govt) এবং প্রশাসনকে নিশানা করে তীব্র কটাক্ষ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজ্য এখন 'ক্রাইম ক্যাপিটাল' (Crime Capital) হয়ে গেছে।
পাটনার অভিজাত গান্ধী ময়দান এলাকায় নিজের গাড়ি থেকে নামার মুহূর্তেই গুলিবিদ্ধ হন ব্যবসায়ী গোপাল খেমকা। ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গোপাল খেমকার দাদা শঙ্কর খেমকা। তাঁর অভিযোগ, খবর দিলেও পুলিশ সময় মতো আসেনি। তদন্তে ঢিলেমি দিচ্ছে। এই পরিপ্রেক্ষিতেই কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী ক্ষোভ উগরে দিলেন বিহার সরকারের উদ্দেশে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় রাহুল লেখেন, “বিহারে এখন লুঠ, গুলি আর খুনের ছায়া। অপরাধ এখানে দৈনন্দিন ব্যাপার হয়ে উঠেছে। প্রশাসন পুরোপুরি ব্যর্থ।” তিনি আরও লেখেন, “এই সরকার আপনার সন্তানদের সুরক্ষা দিতে পারছে না। এমন ব্যর্থ সরকারকে ভোট দেবেন না। বিহার আদতে এখন অপরাধের রাজধানী।”
पटना में व्यवसायी गोपाल खेमका की सरेआम गोली मारकर हत्या ने एक बार फिर साबित कर दिया है - भाजपा और नीतीश कुमार ने मिलकर बिहार को “भारत की क्राइम कैपिटल” बना दिया है।
आज बिहार लूट, गोली और हत्या के साए में जी रहा है। अपराध यहां ‘नया नॉर्मल’ बन चुका है - और सरकार पूरी तरह नाकाम।…— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) July 6, 2025
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন ঘিরেই বিহারের জনতার উদ্দেশে বার্তা দিয়ে রাহুলের আরও বক্তব্য, “প্রতিটি খুন, প্রতিটি লুঠ, প্রতিটি গুলি বদলের জন্য চিৎকার করছে। এবার ভোট শুধু সরকার বদলানোর জন্য নয়, বিহারকে বাঁচানোর জন্য দিতে হবে।”
এই ঘটনায় আগেই রাজ্যের শাসক দল জেডিইউ এবং মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে তীব্র আক্রমণ করেছেন পূর্ণিয়ার নির্দল সাংসদ পাপ্পু যাদব ওরফে রাজেশ রঞ্জন। টুইটে তিনি লেখেন, ‘‘বিহার এখন অপরাধীদের স্বর্গ! নীতীশজি, দয়া করে বিহারকে ছেড়ে দিন! ২০১৮-তে যদি গোপাল খেমকার ছেলের খুনিদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতো, তবে আজ তাঁর প্রাণ যেত না।’’ প্রসঙ্গত, গোপাল খেমকার ছেলে গুঞ্জন খেমকাকে ২০১৮ সালে একই রকমভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়। সেই তদন্ত আজও ধোঁয়াশায় ঢাকা।