
যে লেখাপত্র যুগ যুগ ধরে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সমাজকে প্রভাবিত করে এসেছে, সেগুলিকেই এই মর্যাদা দিয়ে থাকে রাষ্ট্রসঙ্ঘ।
শেষ আপডেট: 18 April 2025 12:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভাগবদ্গীতা ও ভরতের নাট্যশাস্ত্র ইউনেস্কোর মেমরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে স্থান পেল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই উপলক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় বললেন, বিশ্বজুড়ে প্রতিটি ভারতীয়র আজ গর্বের দিন। শ্রীমদ ভাগবদ্গীতা ও ভরত মুনির নাট্যশাস্ত্র ইউনেস্কোর মেমরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার, যা অপরিসীম মূল্যবান ঐতিহ্যবাহী দলিলের সংগ্রহে স্থান পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াতও রাষ্ট্রসঙ্ঘের এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন এবং দেশের ঐতিহ্য-পরম্পরার প্রতি সম্মান প্রদর্শন বলে বর্ণনা করেন।
এই সাফল্যের প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক্সবার্তায় লিখেছেন, এটা গোটা বিশ্বের ভারতীয়র কাছে অতি গর্বের দিন। ইউনেস্কোর এই মর্যাদা আমাদের কালজয়ী চিরন্তন জ্ঞান এবং সমৃদ্ধ সংস্কৃতির প্রতি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিস্বরূপ। গীতা ও নাট্যশাস্ত্র শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আমাদের সভ্যতা এবং চেতনাকে বিকশিত করেছে। এর অন্তর্দৃষ্টি ও দর্শন পৃথিবীর মানুষকেও উদ্বুদ্ধ করে এসেছে।
A proud moment for every Indian across the world!
— Narendra Modi (@narendramodi) April 18, 2025
The inclusion of the Gita and Natyashastra in UNESCO’s Memory of the World Register is a global recognition of our timeless wisdom and rich culture.
The Gita and Natyashastra have nurtured civilisation, and consciousness for… https://t.co/ZPutb5heUT
ইউনেস্কোর মেমরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক লেখ্য, পাণ্ডুলিপি এবং দলিলকে স্বীকৃতি দেয়। যে লেখাপত্র যুগ যুগ ধরে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সমাজকে প্রভাবিত করে এসেছে, সেগুলিকেই এই মর্যাদা দিয়ে থাকে রাষ্ট্রসঙ্ঘ। মহাভারতের কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে শ্রীকৃষ্ণ তাঁর বন্ধু অর্জুনকে যে বাণী দিয়েছিলেন, তাই পৃথকভাবে ভাগবদ গীতা নামে পরিচিত। অন্যদিকে, বৈদিক যুগে ভরত মুনি নাট্যশাস্ত্র লিখেছিলেন। নৃত্যকলা, অভিনয়, গীত-সুরের ভিত্তি বলে এই শাস্ত্রকে বেদ বলে ধরা হয়।