
ভারতের গুঁড়ো মশলায় ক্ষতিকর রাসায়নিক?
শেষ আপডেট: 26 April 2024 18:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেবি ফুড সেরেল্যাক, বাচ্চাদের হেলথ ড্রিঙ্কস নিয়ে তুলকালাম চলছে। বেবি ফুডে চিনির মাত্রা দেখে চোখ কপালে উঠেছে বিশেষজ্ঞদের। এবার গুঁড়োমশলা এমডিএইচ, এভারেস্টে ক্ষতিকর রাসায়নিক খুঁজে পাওয়া গেল বলে অভিযোগ। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের দাবি, সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ের মার্কেটে এই দুই ব্র্যান্ডের গুঁড়ো মশলায় ক্ষতিকর কীটনাশক পাওয়া গেছে। তারপরেই এই দুই ব্র্যান্ডের মশলার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।
সম্প্রতি এমডিএইচ এবং এভারেস্ট ব্র্যান্ডের মশলায় রাসয়নিক ইটিও (ইথিলিন অক্সাইডের অবশিষ্টাংশ) রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরপরই আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে হংকং এবং সিঙ্গাপুর। ভারতের স্পাইস বোর্ড সিঙ্গাপুর এবং হংকং-এ রফতানি করা মশলা পরীক্ষা করে দেখছে। কোনও গরমিল পাওয়া গেলে রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে বলে জানা গেছে।
এমডিএইচ ও এভারেস্টের নানারকম গুঁড়ো মশলা আছে। ভারত থেকে বছরে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের মশলা রফতানি হয়। জানা গেছে, এমডিএইচ মাদ্রাজ কারি পাউডার, এমডিএইচ সম্বর মশালা মিক্স পাউডার, এমডিএইচ কারি মিক্স মশালা পাউডার এবং এভারেস্ট ফিশ কারি মশালা পাউডারে ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর আগে সিঙ্গাপুরও এসব পণ্যের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ স্পাইস বোর্ড জানিয়েছে, হংকং এবং সিঙ্গাপুরে এমডিএইচ এবং এভারেস্টের যে পণ্যগুলো আছে, সেগুলির ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে মশলার গুণমান পরীক্ষার নিয়ম চালু করা হচ্ছে। ভারত থেকে যে অর্ডারগুলো বাতিল করা হয়েছে সেগুলিরও কোয়ালিটি টেস্ট করা হচ্ছে।
কোন কারখানায় মশলাগুলো তৈরি হচ্ছে সেখানকার কর্তৃপক্ষের কথা কথা বলা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মশলা বোর্ড। কীভাবে মশলা তৈরি হচ্ছে, কী কী উপাদান মেশাো হচ্ছে, গাইডলাইন মানা হচ্ছে কিনা ইত্যাদি সবই খতিয়ে দেখা হবে। কোনও গলদ ধরা পড়লে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে স্পাইস বোর্ডের তরফে।