
প্রতিবাদে মশাল মিছিল মেইতেইদের
শেষ আপডেট: 19 November 2024 13:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মণিপুরে হত্যাকাণ্ড। নদী থেকে উদ্ধার হওয়া পাঁচ দেহের ময়নাতদন্ত শেষ হয়েছে ইতিমধ্যেই। রবিবার জিরিবামেরই জিরি নদী থেকে এক বৃদ্ধার দেহ উদ্ধার হয়। তিনিই নিখোঁজ হয়ে যাওয়া ষষ্ঠজন বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এখনও তাঁর লাশ শনাক্ত হয়নি।
জিরিবাম জেলায় রবিবার পর্যন্ত মোট ছ’টি দেহ উদ্ধার হয়। মেইতেইদের ধারণা, ওই ছ’টি দেহ জিরিবাম থেকে অপহৃত তিন মহিলা এবং তিন শিশুর। অন্যদিকে একটি অংশের দাবি, নদীতে আরও কিছু দেহ ভেসে আসতে দেখা যায়। অর্থাৎ নিহতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
১১ নভেম্বর অর্থাৎ গত সোমবার জিরিবামে অসম সীমানা লাগোয়া অঞ্চল থেকে অপহরণ করা হয় ওই ছ’জনকে। কুকি জঙ্গিগোষ্ঠীর দিকে অভিযোগের আঙুল ওঠে। নদীতে দেহ উদ্ধারের পরপরই মণিপুরের ইম্ফল সংলগ্ন এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন মেইতেই জনগোষ্ঠীর সদস্যরা।
প্রশাসন জানিয়েছিল, শনিবার সে রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী গোবিন্দদাস কন্ঠৌজাম, বিজেপি বিধায়ক ওয়াই রাধেশ্যাম, বিজেপি বিধায়ক পাওনাম ব্রজেন, কংগ্রেস বিধায়ক টিএইচ লোকশ্বরের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগে মণিপুরের জিরিবামে কুকি জঙ্গি এবং সিআরপিএফ জওয়ানদের মধ্যে গুলি যুদ্ধ হয়। অভিযোগ, সেই সময় একদল কুকি জঙ্গি মেইতেই সম্প্রদায়ের তিন মহিলা এবং তিন শিশুকে অপহরণ করে। ১০ কুকি জঙ্গি নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়।
যদিও কুকি সম্প্রদায়ের দাবি, নিহত ১০ জন ছিলেন 'গ্রামের স্বেচ্ছাসেবী'। জিরিবাম থেকে একই পরিবারের তিন মহিলা এবং তিন শিশুকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছিল কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে। ওই ছ’জনই ছিলেন মেইতেই সম্প্রদায়ের।