.webp)
জলস্তর হু-হু করে বাড়ছে অসমের ব্রহ্মপুত্রসহ তার শাখানদীগুলিতে।
শেষ আপডেট: 3 July 2024 15:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশজুড়ে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিতে অসমের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ, ত্রিপুরা, মেঘালয়, মিজোরামসহ সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের সমস্ত নদী ও শাখানদীগুলি বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। জলস্তর হু-হু করে বাড়ছে অসমের ব্রহ্মপুত্রসহ তার শাখানদীগুলিতে।
শুধু উত্তর-পূর্ব ভারতই নয়, দিল্লি, গুজরাতসহ ২০টি রাজ্যে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর। জ্বালাপোড়া গরমের বিরাট ইনিংসের পর মৌসুমি বায়ু দেশজুড়ে ছেয়ে যাওয়ায় এখন বৃষ্টির প্রকোপে পড়েছে দেশের অধিকাংশ রাজ্য। দিল্লি-এনসিআর সন্নিহিত অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
দক্ষিণ ভারতেও প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। অসমের বন্যা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বুধবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ। দুদফায় অসমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ বাসিন্দা।
অন্যদিকে, লাগাতার বৃষ্টিতে মণিপুরের ইম্ফল পূর্ব ও পশ্চিম জেলার বেশ কিছু এলাকা বন্যা কবলিত। রাজ্যের প্রধান দুটি নদী বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। ভারত-মায়ানমার সড়কের ৩ কিমির বেশি এলাকা জলে ডুবে রয়েছে। এখনও পর্যন্ত প্রায় হাজারখানেক মানুষ বানে ক্ষতিগ্রস্ত। জলমগ্ন এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানো ও উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে।
উত্তরাখণ্ডেও ব্যাপক বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর প্রায় গোটা রাজ্যেই লাল সতর্কতা জারি করেছে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে দেরাদুন, আলমোড়া, নৈনিতাল, পৌরি গাড়োয়াল, বাগেশ্বর, পিথোরাগড়ে। গতকালের ভারী বৃষ্টিতে দেরাদুনের বিস্তীর্ণ অংশ জলে ডুবে গিয়েছে। রাস্তায় জল জমে থাকায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বহু বাড়ি-দোকান আপাতত জলের তলায়।