হানিমুনে গিয়ে খুন হন ইন্দোরের রাজা রঘুবংশী (Raja Raghuvanshi Murder Case)। স্ত্রী ও তাঁর প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশি। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আরও এক ঘটনা রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

অন্ধ্রপ্রদেশের যুবকের রহস্যমৃত্যু
শেষ আপডেট: 23 June 2025 13:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিয়ের এক মাসের মাথায় রহস্যজনকভাবে খুন অন্ধ্রপ্রদেশের যুবক (Andhrapradesh Man Death)। বেশ কয়েকদিন ধরেই নিখোঁজ ছিলেন। খাল থেকে উদ্ধার হয় দেহ। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মৃতের স্ত্রী ও তাঁর মা'কে আটক করেছে পুলিশ। হানিমুনে গিয়ে খুন হন ইন্দোরের রাজা রঘুবংশী (Raja Raghuvanshi Murder Case)। স্ত্রী ও তাঁর প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশি। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আরও এক ঘটনা রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
পেশায় প্রাইভেট ল্যান্ড সার্ভেয়ার (বেসরকারি জমি মাপার কর্মী) তেজেশ্বরের (৩২) সঙ্গে ঈশ্বর্যর বিয়ে হয় গত ১৮ মে। এক মাস পর, ১৭ জুন তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। এরপর থেকেই খোঁজ চলছিল। অবশেষে তাঁর মৃতদেহ পাওয়া যায় স্থানীয় এক খালে।
তেজেশ্বরের পরিবারের অভিযোগ, ঈশ্বর্যার সঙ্গে এক ব্যাংককর্মীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তারপরও একইসঙ্গে তেজেশ্বরের সঙ্গেও প্রেম চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। এর মধ্যে ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে হওয়ার কথা থাকলেও ঈশ্বর্যা আচমকা নিখোঁজ হয়ে যান। পরে ফিরে এসে তেজেশ্বরকে বিয়ে করতে রাজি হন।
যুবকের পরিবার দাবি করেছে, তাঁরা আপত্তি জানালেও তেজেশ্বর জোর করেই ঈশ্বর্যাকে বিয়ে করেন। তাঁদের অভিযোগ, ঈশ্বর্যা ও তাঁর মা মিলে পরিকল্পনা করেই ছেলেকে খুন করেছেন। এক পুলিশ আধিকারিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, 'অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কী কারণে তেজেশ্বরকে খুন করা হয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হবে। এখনই নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব নয়।'
মেঘালয়ের হানিমুন হত্যাকাণ্ড
১১ মে বিয়ে হয়েছিল ইন্দোরের রঘুবংশী দম্পতির (Indore Couple)। নববিবাহিত রাজা রঘুবংশী ও সোনম রঘুবংশী হানিমুনে যান মেঘালয়ে। ২৩ মে হোমস্টে থেকে চেক আউট করার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন দু'জনেই। পরে ২ জুন জঙ্গলের খাদে রাজার (Raja Raghuvanshi Murder Case) দেহ উদ্ধার হয়। দীর্ঘদিন উত্তরপ্রদেশের গাজিপুরে গা ঢাকা দেওয়ার পর ৮ জুন থানায় আত্মসমর্পণ করেন সোনম। প্রসঙ্গত, ঠিক সেদিনই (৮ জুন) শেষবারের মতো রাজ কুশওয়াহার নম্বর হোয়াটসঅ্যাপে সক্রিয় দেখা যায়।
পুলিশ সূত্রে আগেই জানা গিয়েছিল, সোনম (Sonam Raghuvanshi) ও তাঁর প্রেমিক রাজ কুশওয়াহা এই খুনের মূল ষড়যন্ত্রকারী। বিয়ের আগে থেকেই দুজনের সম্পর্ক ছিল। রাজাকে খুন করতে বিশাল চৌহান, আকাশ রাজপুত ও আনন্দ কুর্মি- এই তিনজনকে ভাড়া করা হয়েছিল।