আগামিকাল, শুক্রবার, মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ও বদল হবে। তার আগে বৃহস্পতিবার গুজরাত মন্ত্রিসভার ১৬ জন সদস্য একযোগে ইস্তফা দিয়েছেন।

১৮২ সদস্যবিশিষ্ট গুজরাত বিধানসভার ১৫ শতাংশ ধরলে প্রায় ২৭ জন মন্ত্রী হবেন।
শেষ আপডেট: 16 October 2025 17:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল ছাড়া বিজেপি শাসিত গুজরাতের সব মন্ত্রী পদত্যাগ করলেন। আগামিকাল, শুক্রবার, মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ও বদল হবে। তার আগে বৃহস্পতিবার গুজরাত মন্ত্রিসভার ১৬ জন সদস্য একযোগে ইস্তফা দিয়েছেন। তার মধ্যে ৮ জন ক্যাবিনেট পর্যায়ের এবং বাকিরা রাষ্ট্রমন্ত্রী। ১৮২ সদস্যবিশিষ্ট গুজরাত বিধানসভার ১৫ শতাংশ ধরলে প্রায় ২৭ জন মন্ত্রী হবেন।
বিজেপি সূত্রে খবর, মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করে অন্তত ১০ জন নতুন দায়িত্ব পাবেন। বর্তমান মন্ত্রীদের অন্তত অর্ধেককে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। বৃহস্পতিবার বিকেলে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে ডাকা এক বৈঠকে উপস্থিত সকলে ইস্তফাপত্র তুলে দেন। সেখানে হাজির ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল। সূত্রটি জানিয়েছে, বনসল ও মুখ্যমন্ত্রী প্যাটেল প্রত্যেক মন্ত্রীর সঙ্গে আলাদা করে দেখা করেন। সেখানে তাঁদের জানানো হয়, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নির্দেশ দিয়েছে যে, সকলকে ইস্তফা দিতে হবে।
প্রসঙ্গত, গুজরাত বিধানসভার নির্বাচনের প্রায় দুবছর আগে এই ব্যাপক রদবদল হতে চলেছে। সাধারণত, বিধানসভা ভোটের বছর দুই আগে মুখ্যমন্ত্রী মুখ করে থাকে পার্টি। ভোটের ঠিক আগে আগে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, কলঙ্কমুক্ত, জাতভিত্তিক একজনকে মুখ্যমন্ত্রী করে থাকে দল। যাতে সরকার বিরোধী হাওয়াকে উল্টোদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া যায়।
শোনা যাচ্ছে, মাত্র ৫-৬ মন্ত্রী ফের দায়িত্ব ফিরে পাবেন। তবে সকলেরই দফতর বদল হয়ে যেতে পারে। যাঁদের মন্ত্রিত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হবে, তাঁদের ইস্তফাপত্র রাজ্যপালের কাছে পাঠানো হচ্ছে না। আজ রাতেই রাজ্যপাল আচার্য দেবব্রতের সঙ্গে দেখা করে ইস্তফাগুলি তাঁর হাতে তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী প্যাটেল।
নতুন গুজরাত মন্ত্রিসভা শপথ নেবে শুক্রবার গান্ধীনগরের মহাত্মা মন্দিরে, বেলা সাড়ে ১১টায়। সেই অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং দলের সভাপতি জেপি নাড্ডা। দলের অন্দরের খবর, রাজ্য সভাপতি জগদীশ বিশ্বকর্মা সব মন্ত্রীকে ইস্তফা দেওয়ার কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন। এই খোলনলচে বদলের কারণ হচ্ছে, ভোটের ২ বছর আগেই মন্ত্রিসভায় নতুন তরতাজা মুখ এবং জাত ও আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্বের মধ্যে একটি ভারসাম্য তৈরি করা।