দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি ছিল একটি Beechcraft C90, যা পরিচালনা করছিল রেড বার্ড এয়ারওয়েস (Redbird Airways Pvt Ltd)। সোমবার সন্ধে ৭টা ১১ মিনিটে ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি (Ranchi) থেকে উড়ান শুরু করে বিমানটি। প্রায় ২৩ মিনিট পর রাডার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 23 February 2026 23:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝাড়খণ্ডের চাত্রা জেলায় সোমবার সন্ধেয় একটি এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স দুর্ঘটনার (Jharkhand Air Ambulance Crash) কবলে পড়ে। বিমানে মোট সাতজন ছিলেন বলে জানিয়েছে অসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা ডিজিসিএ (Directorate General of Civil Aviation)।
ডিজিসিএ সূত্রে জানা গিয়েছে, যাত্রী তালিকা অনুযায়ী বিমানে ছিলেন দু’জন পাইলট, এক জন রোগী, দু’জন সহযাত্রী, এক জন চিকিৎসক এবং একজন প্যারামেডিক কর্মী। এখনও পর্যন্ত কোনও মৃত্যুর খবর নেই।
দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি ছিল একটি Beechcraft C90, যা পরিচালনা করছিল রেড বার্ড এয়ারওয়েস (Redbird Airways Pvt Ltd)। সোমবার সন্ধে ৭টা ১১ মিনিটে ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি (Ranchi) থেকে উড়ান শুরু করে বিমানটি। প্রায় ২৩ মিনিট পর রাডার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
ডিজিসিএ-র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের পর হঠাৎ যোগাযোগ এবং রাডার সিগন্যাল দু’টিই হারিয়ে যায়। সেই সময় বিমানটি বারাণসীর (Varanasi)-র দক্ষিণ-পূর্বে প্রায় ১০০ নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল। বিমানের টেল নম্বর ছিল VT-AJV।
ঘটনার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসনের তল্লাশি ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পাশাপাশি দুর্ঘটনার তদন্তে নামছে এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো বা এএআইবি (Aircraft Accident Investigation Bureau)-র বিশেষ দল। ডিজিসিএ জানিয়েছে, তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে পরবর্তী তথ্য পরে জানানো হবে।
জানা গিয়েছে, বিমানে থাকা রোগী ৪১ বছরের এক ব্যক্তি। একটি দুর্ঘটনায় তাঁর শরীরের ৬৩ শতাংশ অংশে দগ্ধ হওয়ার আঘাত ছিল। তিনি আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন ছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে দিল্লিতে স্থানান্তর করা হচ্ছিল।