
শেষ আপডেট: 13 January 2024 12:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা অতিমহামারীর পর থেকেই উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারানোর ঘটনা। এ ব্যাপারে বয়সের বাছবিছার নেই তেমন, বরং স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে অল্পবয়সি তরুণ-তরুণীদের হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা এতটাই বেড়েছে যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরাও। এবার তার শিকার হলেন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিশেষজ্ঞ। টিভি চ্যানেলে লাইভ আলোচনায় বসেছিলেন তিনি। আচমকাই বুকে তীব্র যন্ত্রণা! ডেস্কের উপর সেই যে পড়ে গেলেন, আর উঠলেন না।
মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে কেরলে গত শুক্রবার। মৃতের নাম ডঃ অনি এস দাস। তিনি কেরল কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক ছিলেন। তিনি একজন বিশেষজ্ঞ ছিলেন যিনি মাঝে মাঝে সরকার পরিচালিত চ্যানেলে উপস্থিত হতেন। চ্যানেল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবারও তিনি তেমনই একটি আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন, যা লাইভ টেলিকাস্ট করা হচ্ছিল। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ তখন দূরদর্শনে কৃষি দর্শন অনুষ্ঠান চলছিল। সেই সময় আচমকাই ডেস্কের উপর লুটিয়ে পড়েন ডঃ অনি এস দাস। তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আকস্মিক হার্ট অ্যাটাকই তাঁর মৃত্যুর কারণ বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি একই রকমের একটি ঘটনা ঘটেছিল নয়ডাতে। ৩৬ বছরের এক তরুণ ক্রিকেটার ঠিক একই ভাবে খেলার মাঝে ক্রিজে পড়ে যান। মৃত্যু হয় তাঁর।
মৃতের নাম বিকাশ নেগি। ৩৬ বছরের তরুণ পেশায় একজন ইঞ্জিনিয়ার। তবে ক্রিকেট ছিল তাঁর নেশার মতো। গত ৭ জানুয়ারি রবিবার এক্সপ্রেসওয়ের কাছে একটি মাঠে খেলতে নেমেছিল ব্লেজিং বুলস এবং মাভেরিক্স ১১ নামে দুটি দল। সেই টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছিলেন বিকাশ। তখন ১৪ ওভারের খেলা চলছে, ব্যাট করছিলেন বিকাশ এবং তাঁর সঙ্গী উন্মেষ কুমার। উন্মেষ তখন বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলার জন্য হেঁটে এগিয়ে যাচ্ছিলেন বিকাশ।
দুজনে হাত মেলান। তারপর হঠাৎ করেই পিচের উপর পড়ে যান বিকাশ। দৌড়ে আসেন আম্পায়ার সহ মাঠে উপস্থিত খেলোয়াড়রা। ম্যাচ থামিয়ে দেওয়া হয়। দুই দলের ক্রিকেটাররাই তাঁকে সিপিআর দেওয়ার চেষ্টা করেন। তারপর বিকাশকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। চিকিৎসকরা তাঁকে পরীক্ষা করে মৃত বলে ঘোষণা করেন।