দেবিকা ও স্বামী সতীশের ছবি
শেষ আপডেট: 4 March 2025 18:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পণের (Dowry) চাপ সহ্য করতে না পেরে বিয়ের ৬ মাসের মধ্যেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করলেন হায়দরাবাদের (Hyderabad) এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার (Software Engineer)। অভিযোগ, টাকার জন্য স্বামীর লাগাতার চাপ সহ্য করতে না পেরেই চরম সিদ্ধান্ত নেন ৩৫ বছর বয়সি দেবিকা।
পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার রাতে হায়দরাবাদের বাড়ি থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর স্বামী সতীশও একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। ছয় মাস আগেই গোয়ায় জমকালো অনুষ্ঠান করে বিয়ে সেরেছিলেন দম্পতি।
দেবিকার মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের অভিযোগ, স্বামী সতীশ তাঁদের মেয়েকে মোটা টাকা যৌতুকের জন্য চূড়ান্ত হয়রানি করত এবং তাঁকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করে।
এদিকে তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, দেবিকা এবং সতীশ একসঙ্গে এক অফিসে কাজ করতেন। সেখানেই তাঁদের প্রথমবার দেখা হয় এবং ধীরে ধীরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শেষমেশ তাঁরা দু'জনে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন এবং দুই পরিবারের সম্মতিতে জাঁকজমকভাবেই গত বছরের অগস্টের শেষের দিকে তাঁদের বিয়ে হয়।
স্ত্রীর বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ, তারপর আত্মহত্যা স্বামীর। বেঙ্গালুরুর ইঞ্জিনিয়ার অতুল সুভাষের ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল দেশে। এবার হায়দরাবাদে স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন তরুণী সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার।
রবিবার রাতে দম্পতির মধ্যে তুমুল ঝগড়া হলে দেবিকা নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ। পরে সতীশ ধাক্কাধাক্কি করলেও মহিলা সাড়া দেননি। সোমবার সকালে ঘর থেকে বেরতে না দেখে সন্দেহ হতেই ঘরের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে সতীশ দেখতে পান এবং দেবিকার পরিবারকে খবর দেন।
এরপরই জামাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন দেবিকার মা রমলক্ষ্মী। তাঁর অভিযোগ স্বামীর লাগাতার যৌতুকের চাপ ও অত্যাচার সহ্য করতে না পেরেই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন মেয়ে।