Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

Air India Plane Crash: ৩২ জনের ডিএনএ শনাক্ত, ১৪টি দেহ ফিরল পরিবারের কাছে

রোববার সকাল পর্যন্ত আমদাবাদ সিভিল হাসপাতালে মোট ৩২টি ডিএনএ নমুনা মেলানো সম্ভব হয়েছে। যার মধ্যে ১৪টি দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই।

Air India Plane Crash: ৩২ জনের ডিএনএ শনাক্ত, ১৪টি দেহ ফিরল পরিবারের কাছে

৩২ জনের ডিএনএ শনাক্ত, ১৪টি দেহ ফিরল পরিবারের কাছে

শেষ আপডেট: 15 June 2025 15:09

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার (Air India Plane Crash) তিন দিন কেটে গেলেও এখনও চলছে দেহ শনাক্ত ও হস্তান্তর প্রক্রিয়া (Body Hand Over)। রোববার সকাল পর্যন্ত আমদাবাদ সিভিল হাসপাতালে মোট ৩২টি ডিএনএ নমুনা মেলানো সম্ভব হয়েছে। যার মধ্যে ১৪টি দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই।

সিভিল হাসপাতালের অ্যাডিশনাল মেডিক্যাল সুপারিনটেন্ডেন্ট চিকিৎসক রজনীশ পটেল জানিয়েছেন, শনিবার থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং রোববার সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এই পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে।

দেহ শনাক্তে বাধা— বিকৃত চেহারা, একমাত্র ভরসা ডিএনএ
বৃহস্পতিবার দুপুরে আমদাবাদ বিমানবন্দর থেকে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-১৭১। বিমানটি বিজে মেডিক্যাল কলেজের হস্টেল বিল্ডিংয়ের উপর আছড়ে পড়ে আগুনের গোলায় পরিণত হয়। বিমানে থাকা ২৪২ জন যাত্রীর মধ্যে মাত্র একজন বেঁচে গিয়েছেন, যিনি ব্রিটেনপ্রবাসী ভারতীয় বংশোদ্ভূত। এখন তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পরদিন হাসপাতালে আটটি দেহ আত্মীয়দের হাতে তুলে দেওয়া হয়, যেগুলি সহজেই শনাক্ত করা গিয়েছিল। কিন্তু অধিকাংশ দেহ এতটাই পুড়ে গিয়েছিল যে, ডিএনএ পরীক্ষাই একমাত্র উপায় হয়ে দাঁড়ায় পরিচয় নির্ধারণে।

শনিবার থেকেই সিভিল হাসপাতালের মর্গে পৌঁছাতে শুরু করেছে একের পর এক কফিন। দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ যথাযথ মর্যাদায় তাঁদের পরিবারের হাতে তুলে দিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কফিন প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিও নিঃশ্বাস ফেলার ফুরসত না নিয়েই কাজ করে চলেছে।

গুজরাত সরকার এই বিমান দুর্ঘটনা মোকাবিলায় একটি বিশেষ সেল তৈরি করেছে। যেখানে প্রত্যেক নিহত যাত্রীর জন্য থাকছেন একজন সরকারি আধিকারিক, এক জন পুলিশ অফিসার এবং একজন মনোবিদ। তাঁদের কাজ মৃতের পরিবারের পাশে থেকে দেহ হস্তান্তর এবং তা নিজেদের নিজেদের শহরে পাঠানোর প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে শেষ করা।


```