
শেষ আপডেট: 1 July 2019 18:30
চালকদের প্রাপ্য বাড়ানোর দাবিতে অ্যাপ-ক্যাব পরিষেবা বন্ধ রাখার ডাক দিয়েছে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল অনলাইন ক্যাব অপারেটর্স গিল্ড’। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি অনুমোদিত অ্যাপ-ক্যাব চালকদের ওই সংগঠনের অভিযোগ, অ্যাপ-ক্যাব সংস্থাগুলি যাত্রীদের থেকে চড়া হারে ভাড়া আদায় করলেও চালকেরা প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। পরিষেবা শুরুর সময়ে সংস্থার পক্ষ থেকে চালকদের যে হারে আয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তার তুলনায় আয় অনেক কমেছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন সময়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে চালকদের আইডি ব্লক করে তাঁদের বিপাকে ফেলা হয়েছে। বহু চালক ব্যাঙ্কের ঋণ শোধ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন। এমনকি ঋণ শুধতে না পেরে অ্যাপ-ক্যাব চালকের আত্মহত্যার খবরও সামনে এসেছে। তাদের দাবি, ওই সংগঠনের তরফে ২৪ জুন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেও চিঠি দেওয়া হয়। তাতেও সাড়া না মেলায় সংগঠনের তরফে পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
[caption id="attachment_119796" align="aligncenter" width="627"]
নেই ট্যাক্সি। বৃষ্টি মাথায় নিয়ে রাস্তায় নাজেহাল নিত্য যাত্রীরা।[/caption]
অ্যাপ ক্যাব পরিষেবা বন্ধ হলেও রাস্তায় চলছিল হলুদ ট্যাক্সি। যদিও সংখ্যায় অনেকটাই কম ছিল। এ বার একই কারণে ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে ধর্মঘটে সামিল হলো হলুদ ট্যাক্সিও।
কলকাতার রাস্তায় হলুদ ট্যাক্সি চলে প্রায় ১২,০০০। যার মধ্যে তিন-চার হাজার হলুদ ট্যাক্সি আজ রাস্তায় নামবে না বলেই অনুমান। যদিও পশ্চিমবঙ্গ ট্যাক্সি অপারেটর্স কো-অর্ডিনেশন কমিটির তরফে সঠিক তথ্য জানা যায়নি।
অ্যাব ক্যাবের পাশাপাশি হলুদ ট্যাক্সি বিভ্রাটে এ দিন সমস্যায় পড়েন দূরপাল্লার ট্রেনে কলকাতায় নামা যাত্রীরাও। বিমানবন্দর, হাওড়া ও শিয়ালদা স্টেশনে চরম হয়রানির মুখে পড়তে হয় মানুষজনকে। হাওড়া রেলস্টেশনের প্রি-পেড ট্যাক্সির বুথে লম্বা লাইন দেখা যায়। একই ছবি দেখা গেছে শিয়ালদাতেও।
রাস্তাঘাটেও কার্যত খুব বেশি দেখা মেলেনি হলুদ ট্যাক্সির। হাতে গোনা দু’একটা ট্যাক্সি মিললেও সেখানে যাত্রী প্রত্যাখ্যানের অভিযোগ উঠেছে। আবার অনেকে দাবি করেছেন, গন্তব্যে পৌঁছে দিতে রাজি হলেও প্রচুর বেশি ভাড়া হেঁকেছেন ট্যাক্সি চালকরা।