দ্য ওয়াল ব্যুরো : শুক্রবারই কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী স্পিকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, আস্থাভোটের দিনক্ষণ স্থির করুন। আমরা বিধানসভায় গরিষ্ঠতার প্রমাণ দেব। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিজেপি নেতা বি এস ইয়েদুরাপ্পা ইঙ্গিত দিলেন আস্থাভোটের জন্য তৈরি তাঁরাও। তাঁর কথায়, আস্থাভোট হলে আমাদের আপত্তি নেই। আমরা সোমবার পর্যন্ত অপেক্ষা করব। তারপর আস্থাভোটের মুখোমুখি হব।
শুক্রবারই কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া বলেন, বিজেপি আস্থাভোটের মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছে। কারণ তারা জানে, তাদের দলের অনেকে আমাদের পক্ষে ভোট দেবে। আপাতত কর্ণাটকে শাসক কংগ্রেস-জেডি এস জোট এবং বিরোধী বিজেপি, উভয় পক্ষই নিজেদের বিধায়কদের আলাদা করে রিসর্টে রেখেছে। পাছে কেউ তাঁদের লোভ দেখিয়ে ভাঙিয়ে নেয়, সেজন্যই ওই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারপক্ষের কয়েকজন বিদ্রোহী বিধায়ক গত সপ্তাহ থেকেই আছেন মুম্বইয়ের পাঁচতারা হোটেলে। তার বাইরে ক্যাম্প করে আছেন কর্ণাটক কংগ্রেসের ট্রাবল শুটার বলে পরিচিত ডি কে শিবকুমার।
কংরেস-জেডি এস জোট থেকে ১৮ জন বিধায়ক স্পিকার রমেশ কুমারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। তার ফলে সংকটে পড়েছে এইচ ডি কুমারস্বামী সরকার। মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য বলেছেন, তাঁদের জোট যদি সংখ্যালঘু হয়ে পড়ে, তিনি ক্ষমতা আঁকড়ে থাকবেন না।
কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া শুক্রবার বলেন, সরকার আস্থাভোটে টিকে যাবে। আমরা আত্মবিশ্বাসী। তাই আস্থাভোট চেয়েছি। এখনও পর্যন্ত কোনও বিধায়কের ইস্তফা গৃহীত হয়নি। সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে, ১৬ জুলাইয়ের আগে এসম্পর্কে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। শনিবার আরও পাঁচ বিদ্রোহী বিধায়ক সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, স্পিকার ইস্তফা গ্রহণ করছেন না। এই নিয়ে কর্ণাটকের ১৫ জন বিধায়ক সুপ্রিম কোর্টে গেলেন। তাঁরা বলেন, স্পিকার ইচ্ছা করে ইস্তফা গ্রহণ করছেন না। আস্থাভোটের আগে কুমারস্বামী সরকার যাতে যথেষ্ট সংখ্যক আসন জোগাড় করতে পারে, সেজন্য তাদের সময় দিচ্ছেন।