
শেষ আপডেট: 16 August 2023 04:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নয়া দিল্লি ও বেজিংয়ের শীর্ষ নেতৃত্ব চেয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিং পিনের বৈঠকের (xi jinping Modi meeting) আগে দু-দেশের সীমান্ত বিরোধের একটা মুখরক্ষার সমাধান সূত্র বের হোক। কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। শুধু আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হবে, এই মর্মে দু-পক্ষই সহমত হয়েছে বৈঠক শেষে।
সোমবার থেকে শুরু হওয়া ভারত ও চিনের মধ্যে ১৯তম সামরিক পর্যায়ের আলোচনায় পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় (এলএসি) চালু সমস্যাগুলির সমাধানের বিষয়ে আলোচনা মঙ্গলবার শেষ হয়। এই বৈঠক নিয়ে দুই দেশের তরফেই তুমুল আগ্রহ ছিল বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে। ভারত চেয়েছিল আসন্ন শীতের আগেই চিন সীমান্ত থেকে সেনা সরিয়ে নিক। কিন্তু ভারতীয় সামরিক কর্তাদের পরামর্শ চিনের সেনা কর্তারা মানতে চাননি।
দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে এ মাসেই বসতে চলেছে ব্রিক্সের (ভারত-চিন-রাশিয়া-ব্রাজিল-সাউথ আফ্রিকা) (BRICS) সম্মেলন। সেখানে চিনা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর একান্ত বৈঠকে বসার সম্ভাবনা নিয়ে দু-তরফেই আলোচনা চলছে। দেশে চিন নিয়ে বিরোধীদের লাগাতার অভিযোগের জবাব দিতে লোকসভা ভোটের আগে সীমান্ত সমস্যার একটি সুষ্ঠু সমাধান সূত্র খুঁজছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। নয়াদিল্লির পরিকল্পনা ছিল, সেনা কর্তাদের বৈঠকে অগ্রগতি হলে তা সামনে রেখে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। তাছাড়া আগামী মাসে নয়াদিল্লিতে বসতে চলেছে জি-২০ (G-20) দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠক। সেই বৈঠকেও চিনের প্রেসিডেন্ট উপস্থিত থাকবেন। তখনও শি-মোদী বৈঠকের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
বৈঠকের লক্ষ্য ছিল দুই দেশের সেনাদের মধ্যে আস্থা ফেরানো, সীমান্ত প্রটোকল মেনে চলা এবং সংঘর্ষ এড়াতে দুই পক্ষের সৈন্যদের মধ্যে টহল তথ্য ভাগ করে নেওয়া। কিন্তু সেনা সরানোর বিষয়ে চিনকে রাজি করানো যায়নি। লাদাখে সেনা সমাবেশ কমাতেও রাজি হয়নি বেজিং।
জানা গিয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর আর কোনও সীমান্ত চৌকি তৈরি না করার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। পরবর্তী বৈঠকে এই বিষয়ে বিশদ আলোচনা হবে।