
শেষ আপডেট: 19 February 2020 13:59
এই চুল কেটে ফেলার ফলে দু'ভাবে উপকার হবে বলে মনে করেন তাঁরা। প্রথমত, চুলের মাধ্যমে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়ানো যাবে। দ্বিতীয়ত, হাসপাতালে কাজ করার সময়ে যে বিশেষ পোশাক পরতে হচ্ছে, তা পরা ও বদল করা আরও একটু সহজ হবে। শুধু তাই নয়, তাঁরা চুল আঁচড়ানোরও সময় পাচ্ছেন না গত দু'মাস ধরে। অবশ্য চুল আঁচড়ানো দূরের কথা, খাওয়াদাওযাও দিনের মধ্যে এক বারে এসে ঠেকেছে তাঁদের। এমনকি শৌচকর্ম করতে যাতে সময় নষ্ট না হয়, সে জন্য ডায়াপার পরেই কাজ চালাচ্ছে তাঁরা।
তবে পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতেও ক্রমশ ছড়াচ্ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। উহানের অন্যতম বড় উচাং হাসপাতালের ডিরেক্টর লিউ ঝিমিংয়ের প্রাণ গেল ভাইরাসের সংক্রমণে। আক্রান্ত ওই হাসপাতালের আরও অনেক স্বাস্থ্যকর্মী। সংক্রমণের ভয় পাচ্ছেন ডাক্তার-নার্সরাও। আইসোলেশন ওয়ার্ডে রোগীদের মধ্যে ছড়িয়েছে আতঙ্ক।
চিনের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের রিপোর্ট বলছে, আক্রান্তদের অধিকাংশেরই সংক্রমণ প্রাণঘাতী ছিল না। দ্রুত চিকিৎসায় তাঁরা সেরে উঠেছেন। স্বাস্থ্য আধিকারিকরা বলেছেন, মানুষের থেকে মানুষে সংক্রমণ ছড়িয়েছে বেশি। একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আক্রান্তদের সংখ্যা বেশি। এইভাবে আক্রান্ত হয়েছেন দেড় লক্ষেরও বেশি মানুষ।
এরই মধ্যে চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রেসিডেন্ট শি চিনফিংয়ের একটি বক্তৃতা ঘিরে শুরু হয়েছে চর্চা। যেখানে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে, দেশের মানুষকে সচেতন করার ঢের আগেই করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে অবগত ছিলেন প্রেসিডেন্ট। এমনিতেই করোনা নিয়ে দীর্ঘ সময়ে মুখ না খোলায় প্রেসিডেন্টের আচরণ নিয়ে জনরোষ বাড়ছিল। এখন তা যেন মাত্রা ছাড়িয়েছে।