দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমেরিকার হাউস্টনে ভারতীয় অভিবাসীদের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে উপস্থিত থাকতে পারেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর ডায়াস্পোরার বিশাল ওই সমাবেশে টেক্সাসের হাউস্টনে হওয়ার কথা। এ নিয়ে ইতিমধ্যে রীতিমতো হইচই ও জোরদার প্রচার চলছে। কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের লাগাতার ভারত-বিরোধী প্রচারের যোগ্য জবাব সেখানে দেওয়া হবে বলে মনে করছেন অনেকেই। হাউস্টনের পরে একই ধরনের একটি সমাবেশ হবে নিউ ইয়র্কে। ভারতীয় অভিবাসীদের মধ্যে এই নিয়ে তুমুল উৎসাহ তৈরি হয়েছে।
এর আগে ২০১৫ সালে ইংল্যান্ডের ওয়েম্বলিতে মোদী এই ধরনের একটি সভাকে সম্বোধন করেছিলেন এবং সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। ভারতীয় অভিবাসীদের সভায় উপস্থিত থেকে পাশে থাকার বার্তা দেওয়ার এই সুযোগ হাতছাড়া করবেন না সম্ভবত ট্রাম্পও। কারণ, এই অভিবাসীরা আবার মার্কিন ভোটার। ভারতীয় অভিবাসীরা আমেরিকায় সমৃদ্ধ জনগোষ্ঠী। তাঁরা রাজনৈতিক ভাবেও সক্রিয়। ফলে ভোটার হিসেবে তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ। ওই সভায় অবশ্য ডেমোক্র্যাটদের কোনও প্রথম সারির নেতাকেও আনার কথা ভাবছে ডায়াস্পোরা। হোয়াইট হাউস শীঘ্রই ট্রাম্পের উপস্থিত থাকার কথা ঘোষণা করবে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারত-মার্কিন কিছু বাণিজ্যিক চুক্তিও স্বাক্ষরিত হতে পারে সেই সময়। ফলে, দুদেশের মধ্যে থমকে থাকা কিছু বিষয় অবশেষে গতি পেতে পারে।
যদিও আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ অধিবেশনে মোদী ও পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দুজনেরই বক্তব্য পেশ করার কথা, তবুও কাশ্মীর নিয়ে ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের প্রচার নিস্তেজ হয়ে পড়েছে বলে কূটনৈতিক মহলের মত। তারা পাশে পাচ্ছে না কোনও দেশকে। অভিবাসীদের সভায় ট্রাম্প গেলে তা ইমরান খানের কাছে আরও চাপের হবে।