
প্রতীকী ছবি।
শেষ আপডেট: 17 July 2024 18:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাগ হয়েছে কিংবা খুব আনন্দ। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মনের ভাব প্রকাশের জন্য গুচ্ছ গুচ্ছ শব্দ খরচের দিন শেষ। টুক করে একটি ডিজিটাল আইকন বেছে নিলেই হল! যার পোশাকি নাম ইমোজি। জানেন কি, সোশ্যাল মাধ্যমে অপরিহার্য হয়ে ওঠা এই ইমোজির বুধবার ১৭ জুলাই জন্মদিন।
ইন্টারনেট খুললেই দেখতে পাওয়া যায় হাজারও ইমোজি। ক্যালেন্ডারের হিসেবে, আজ ইমোজির জন্মদিন। যেখানে মানুষের মনের ভাব প্রকাশ থেকে শুরু করে, খাবার, এমনকী দেশ বিদেশের পতাকা, সব কিছুরই ডিজিটাল আইকন রয়েছে। যা ইমোজিপিডিয়া নামে পরিচিত। এর প্রতিষ্ঠাতা জেরেমি বার্গ।
কীভাবে পথ চলা শুরু হল এই ইমোজির?
আটের দশকে শব্দ ছাড়়াই মনের ভাব প্রকাশের জন্য নেট মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছিল ইমোজি। তখন ":-)" এবং ":-(" এই জাতীয় সঙ্কেত দিয়ে মনের আনন্দ বা দুঃখ প্রকাশ করা হোত। পরবর্তীকালে একটি মোবাইল কোম্পানির জন্য একজন জাপানি ডিজাইনার ১৯৯৯ সালে এই ইমোজিগুলির প্রথম সেট তৈরি করেছিলেন। পরে ২০০৭ সালে গুগল এ ব্যাপারে উদ্যোগী হয়। তখন থেকেই ইমোজিগুলি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা লাভ করতে শুরু করে।
২০১১ সালে অ্যাপেল তাঁদের মোবাইল ফোনে একটি অফিসিয়াল ইমোজি কীবোর্ড যুক্ত করে। পরবর্তীকালে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, এক্স (পূর্বের টুইটার) হ্যান্ডেলে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ইমোজির মাধ্যমে কোনও শব্দ ছাড়াই অন্যের কাছে নিজের মনের ভবা প্রকাশ করা যায়। ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর জনপ্রিয়তা বেড়েছে বই কমেনি।