
রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, জয়ী দুই প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রায়াত হোসেন সরকার।
শেষ আপডেট: 5 July 2024 13:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অবশেষে জল্পনার অবসান। ১ মাস ১ দিন পর বিধায়ক হিসেবে শপথগ্রহণ করতে চলেছেন বরাহনগর এবং ভগবানগোলার জয়ী দুই প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রায়াত হোসেন সরকার।
সূত্রের খবর, এদিন দুপুর ২টোয় বিধানসভায় অনুষ্ঠিত হবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। রাজ্যপালের নির্দেশ মেনে জয়ী দুই প্রার্থীকে শপথবাক্য পাঠ করানোর জন্য রাজি হয়েছেন বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়।
সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী বিধানসভায় স্পিকার অনুপস্থিত থাকলে ডেপুটি স্পিকার সেই দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু স্পিকার উপস্থিত থাকাকালীন তাঁর পরিবর্তে ডেপুটি স্পিকারকে শপথগ্রহণ পাঠ করানোর দায়িত্ব দিয়েছেন রাজ্যপাল। যা নিয়ে বৃহস্পতিবারই ঘনিষ্ঠ মহলে প্রশ্ন তুলেছিলেন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এও জানিয়ে দেন, রাজ্যপালের চিঠি এলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করবেন।
ফলে জয়ী দুই প্রার্থীর শপথগ্রহণ নিয়ে ফের জটিলতা তৈরি হয়েছিল। জট কাটাতে এদিন বিধানসভায় বসেছিল কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক। স্পিকার, ডেপুটি স্পিকারের পাশাপাশি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরুপ বিশ্বাস, শশী পাঁজা, দেবাশিস কুমার, মলয় ঘটক, সুজিত বসুরা।
সূত্রের খবর, সেখানে রাজ্যপালের নির্দেশ মানা নিয়ে প্রথমে আপত্তি জানান ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে আশিস এও বলেন, এভাবে স্পিকারকে অসম্মান করা যায় না।
এদিকে জয়ী হওয়ার এক মাস পরও শপথ নিতে না পেরে বিধায়ক হিসেবে কাজ শুরু করতে পারছেন না সায়ন্তিকা, রায়াতরা। পরিস্থিতির জন্য রাজভবনকে দায়ী করে গত ২৬ জুন থেকে বিধানসভা চত্বরে ধর্নাতেও বসেন তাঁরা। অবশেষে রাজ্যপাল অনুমতিও দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে শপথ অনুষ্ঠান আরও পিছিয়ে যাক, এটা চাইছেন না স্বয়ং স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
সূত্রের খবর, রাজ্যপালের চিঠির পর সংসদীয় রীতি মেনে কীভাবে শপথবাক্য পাঠ করানো যেতে পারে, তা নিয়েই বৈঠকে আলোচনা হয়। সূত্রের খবর, সেখানে সকলে আশিসবাবুকে বোঝান। তারপরই শপথবাক্য পাঠ করাতে রাজি হয়েছেন ডেপুটি স্পিকার।