
শেষ আপডেট: 29 June 2019 14:24
এই চিজ় যেখানে সেখানে মেলে না। ধবধবে সাদা, চড়া গন্ধ আর ঘন এই চিজ় বানান যিনি, তাঁর নাম স্লোবোদান সিমিচ। সার্বিয়ার এক নম্বর চিজ়-মেকার। আর এই চিজ় তিনি তৈরি করেন গাধার দুধ থেকে।
বলকান এই গাধারা উত্তর সার্বিয়ার জাসাভিচার জঙ্গলে চরে বেড়ায়। এই গাধার দুধ নাকি 'ওয়ান্ডার অফ নেচার'। তাঁর দাবি, এই দুধের এত গুণ যে সদ্যোজাত মানব শিশুও এই দুধ খেতে পারবে। তাঁর আরও দাবি, এই দুধ হাঁফানি আর ব্রঙ্কাইটিস সারিয়ে দেয়। এই দাবির সত্যাসত্য পুরোপুরি যাচাই না হলেও, রাষ্ট্রপুঞ্জ বলেছে, এই দুধে প্রচুর প্রোটিন আছে। আর গরুর দুধে যাদের অ্যালার্জি হয়, তারা বিকল্প হিসেবে এই দুধ খেতেই পারেন।
কিন্তু আমাদের গল্প চিজ় নিয়ে। সেখানে দুটো সমস্যা। এক, গাধা খুব কম দুধ দেয়, দিনে এক লিটারেরও কম। দুই, এই দুধে ‘কেসিন’ প্রোটিনের পরিমাণ কম থাকায় চিজ় জমাট বাঁধতে সমস্যা হয়।
কিন্তু সিমিচ ও তাঁর ফার্মের কর্মীরা একটা উপায় বের করেছেন। গাধার দুধের সঙ্গে ছাগলের দুধ মিশিয়ে ঘন চিজ় বানানো যাচ্ছে। কিন্তু খুব কম পরিমাণ চিজ়ই বানানো সম্ভব হয়। বছরে ছয় থেকে পনেরো কিলো। তাই দাম এত সাংঘাতিক বেশি। মূলত ট্যুরিস্টদের কাছেই বিক্রি করা হয় এই চিজ়। এ ছাড়াও বিক্রি হয় গাধার দুধের থেকে তৈরি প্রসাধনীও।