দ্য ওয়াল ব্যুরো : মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার লোকসভার ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন কংগ্রেস সাংসদরা। স্পিকার ওম বিড়লা দুই কংগ্রেস সাংসদকে লোকসভা থেকে বার করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। মার্শালরা যখন তাঁদের বার করে দিচ্ছিলেন, তখন বাধা দেন কংগ্রেসের অপর এমপিরা। এই হট্টগোলের মধ্যে লোকসভা এদিনের মতো মুলতবি হয়ে যায়। পরে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী অভিযোগ করেন, তাঁর দলের এমপিরা যখন মার্শালদের বাধা দিচ্ছিলেন, তখন মহিলাদের ধাক্কা মারা হয়েছে।
একই অভিযোগ করেন কংগ্রেসের অপর সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরি। তাঁর কথায়, “সংসদের ভিতরে কখনও আমাদের এমন অভিজ্ঞতা হয়নি। এর জন্য যারা দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তা দেখতে চাই।” অন্যদিকে তিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং, রবিশংকর প্রসাদ ও প্রহ্লাদ যোশি স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে বলেন, যে দুই সাংসদ লোকসভায় বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করেছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। পরে রবিশংকর প্রসাদ মন্তব্য করেন, “লোকসভায় কাউকে বিশৃঙ্খল আচরণ করতে দেওয়া যায় না। প্রতিটি দলের উচিত লোকসভার পবিত্রতা ও ঐতিহ্য রক্ষা করা।”
সোমবার অধিবেশনের শুরুতেই কংগ্রেস সাংসদরা ব্যানার নিয়ে লোকসভার ওয়েলে নেমে আসেন। তাঁরা স্লোগান দেন, মহারাষ্ট্রে যেভাবে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে, তা বন্ধ হোক। স্পিকার কিছুক্ষণ বিক্ষোভকারী সাংসদদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁদের বলেন, ব্যানার সরিয়ে নিয়ে যান। পরে দুই কংগ্রেস সাংসদ টি এন প্রতাপন ও হিবি ইডেনকে বার করে দিতে বলেন। যে কংগ্রেস সাংসদরা মার্শালদের বাধা দিতে গিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন তামিলনাড়ুর জ্যোতিমানি এবং কেরলের রামায়া হরিদাস। এই দুই মহিলাকেই মার্শালরা ধাক্কা দিয়েছেন বলে অভিযোগ। জ্যোতিমানি পরে বলেন, “দুঃখের কথা হল, রামায়া হরিদাস ও আমাকে ধাক্কাধাক্কি করা হয়েছে। আমরা স্পিকারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।”