
শেষ আপডেট: 18 June 2019 13:38
মহিলা বলেন, গোটা ঘটনায় তাঁর চারপাশে থাকা কোনও মানুষ তাঁর পাশে এসে দাঁড়াননি। এমনকি স্টেশনের বাইরে এসেও কোনও পুলিশকে তিনি পাশে পাননি। স্টেশনের বাইরের সব পুলিশ গুমটিও তখন বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। সেদিন রাতেই তিনি গুড়গাঁও পুলিশের ফেসবুক পেজের মেসেজে গিয়ে গোটা ঘটনাটা জানান। তাতেও কোনও সাড়া না পেয়ে , তিনি দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনে ঘটনাটা জানান এবং সঙ্গে সঙ্গেই উত্তর পান। তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল সিসিটিভি ফুটেজ সনাক্ত করতে। মহিলা বলছেন গোটা দেশের আইন প্রশাসনের প্রতি তিনি বিরক্ত এবং বীতশ্রদ্ধ।
আপাতত গুড়গাঁওয়ের পুলিশ অভিযুক্তের খোঁজ জারি রেখেছে। তাঁরা তাঁদের টুইট অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, এসিপি উষা কুণ্ডু তাঁর টিম নিয়ে হুডা সিটি সেন্টার মেট্রো স্টেশন এলাকাটা ঘুরে দেখেও এসেছেন এবং দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের সাথে যে কোনও রকম তথ্য প্রমাণের জন্য যোগাযোগও বজায় রেখেছেন। মূলত রাজধানীর মেট্রো পরিষেবার দায়িত্ব অর্ধেক কেন্দ্রের ও রাজ্য সরকারের। দিল্লি মেট্রোয় যাত্রীদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী, যা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে। তাই টুইটে ওই মহিলা রাজ্য ও কেন্দ্র সকলকেই তাঁর ক্ষোভ জানিয়েছেন।
তিনি বলছেন, “ রবিবারের রাতের ঘটনায় আবারও আমার মাথায় একটা প্রশ্ন আসছে, এত খবর হয় শ্লীলতাহানি, ধর্ষণের। তারপরেও এত উদাসীনতা কেন? সব জায়গায় সিসিটিভি নেই কেন? আমাকে ডাকা হয়েছিল ফুটেজ দেখতে আমি সনাক্তও করে এসেছি, কিন্তু লিখিত এফ আই আর করতে ভয় করছে, যদি আমার কিছু হয়ে যায়। কারণ নিরাপত্তা তো আমাদের কেউ দিচ্ছে না! পর্যাপ্ত সিসিটিভি থাকলে লোকটা ও ভাবে পালিয়ে যেতে পারত না সেদিন। আমি বন্ধুর সাথে দেখা করে ফেরার পথে মেট্রো স্টেশনের ভিতরে জামা কিনতে একটি দোকানে ঢুকেছিলাম। দু তলার সেই দোকানটি থেকে একতলায় নেমে আসার সিঁড়িতেই ঘটে ঘটনাটি। আমি এখনও এর রেশ কাটিয়ে উঠতে পারছি না। ”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এ রাজ্যে একাধিকবার এ জাতীয় ঘটনা খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে, সেটা বাসে হোক বা রাস্তায়। রাজধানীতে বাসেও ঘটেছে এমন ঘটনা, তবে মেট্রো স্টেশনে এই ঘটনা দিল্লিতে প্রথমবার।