
তৃণমূলের কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে থানায় যুবতী (প্রতীকী ছবি)
শেষ আপডেট: 6 July 2024 13:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দীর্ঘদিন সহবাস করেছেন। আড়াই বছর কেটে গেলেও কিছুতেই বিয়ে করতে চাইছিলেন না কাউন্সিলর। এমনকী তিনি যে আগে তিনটে বিয়ে করেছেন সেব্যাপারেও ঘুণাক্ষরে কিছুই টের পাননি তরুণী। আর ওই সমস্ত অভিযোগ নিয়েই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধেই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন তরুণী।
ব্যারাকপুর পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন এক তরুণী। অভিযুক্ত কাউন্সিলর প্রসূন সরকার ইছাপুরের বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে ব্যারাকপুর কমিশনারেটের মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই তরুণীর। ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
অভিযোগকারিনী যুবতী ঘোলা থানা এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২১ সালে কাউন্সিলরের সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। ধীরে ধীরে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। যুবতীর অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে একাধিকবার সহবাস করে প্রসূন। কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাঁর আবার একাধিক বিয়েও রয়েছে। সেই সঙ্গে ওই তরুণীকে হুমকি দিয়ে তিনি জোর করে পুরনো মেসেজ ডিলিটও করিয়েছেন। তরুণীর দাবি, অভিযুক্ত কাউন্সিলর প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ভয়ে নোয়াপাড়া থানার পরিবর্তে ব্যারাকপুর মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
জানা গেছে, অভিযোগ নিয়ে শোরগোল শুরু হতেই কাউন্সিলরের খোঁজ মিলছে না। যদিও কাউন্সিলরের বাবা দাবি করেছেন, তাঁর ছেলে নির্দোষ। যদিও বর্তমানে তাঁর ছেলে কোথায় সেবিষয়ে স্পষ্ট উত্তর দিতে পারেননি তিনি। উল্টে ওই যুবতী মানসিক রোগী বলেও তোপ দেগেছেন তিনি। অন্যদিকে, অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে দোষীকে শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় ঘোষ।