
শেষ আপডেট: 26 December 2023 15:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: হুগলি ডিস্ট্রিক্ট সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের দুটি এটিএম-এ দু’দিনে ১৪ বার সন্দেহজনক লেনদেন। সিসি ক্যামেরা দেখে পাকড়াও উত্তরপ্রদেশের এক যুবক। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। চুঁচুড়া থানার তদন্তকারী অফিসার জানান, ১৪ বারে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা তোলা হয়েছে। অভিযুক্ত সোনু কুমারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার বড়দিনে বন্ধ ছিল চুঁচুড়ার চকবাজারের হুগলি ডিস্ট্রিক্ট সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক। মঙ্গলবার সকালে ব্যাঙ্ক খোলে। ব্যাঙ্কের সঙ্গেই রয়েছে এটিএম কিয়স্ক। ব্যাঙ্কের কর্মী অলক পাল সিসি ক্যামেরায় দেখতে পান এক যুবক এটিএম কিয়স্কের ভিতরে রয়েছেন। বারবার পিছন দিকে তাকাচ্ছেন। তার আচরণ সন্দেহজনক লাগায় সঙ্গে সঙ্গে কর্মীদের খবর দেন অলকবাবু। নীচে নেমে এসে তাঁরা ওই যুবককে ধরেন। খবর দেওয়া হয় চুঁচুড়া থানায়। পুলিশ গিয়ে ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
ব্যাঙ্ককর্মী জানান, তাদের এটিএম যে এজেন্সির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ তারা জানিয়েছে, দু’দিনে ১৪ বার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে দুটি এটিএম থেকে। একটি চকবাজার, আরেকটি ফুলপুকুর ব্রাঞ্চ। শাটার জ্যাম করে এই লেনদেন করে এটিএম প্রতারকরা। ব্যাংকের ম্যানেজার সুরঞ্জন হালদার বলেন, “দু’দিনে লক্ষাধিক টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। একজন সন্দেহভাজনকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত বলছে তার বাড়ি উত্তরপ্রদেশে। পুলিশ দেখুক কী রহস্য আছে।”
ব্যাঙ্কের সিইও দেবাশিস দাস জানান, এটিএম জ্যাম করে টাকা লুঠের ঘটনা এর আগেও ঘটেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভিনরাজ্যের গ্যাং এরসঙ্গে জড়িত। এবার সচেতন ছিলেন তাঁরা। তাই হাতেনাতে একজনকে ধরা গেছে।
অভিযুক্ত যুবক জানায়, তার এক বন্ধু তাকে চুঁচুড়ায় আসতে বলেছিল। সোমবার সোনু চুঁচুড়ায় এসে বাসস্ট্যান্ডে রাত কাটায়। মঙ্গলবার সকালে চকবাজার এটিএম এ টাকা তুলতে যায়। সে তার বোনের এটিএম কার্ড দিয়ে টাকা তুলছিল। কারণ বন্ধুকে ফোন করে কাল থেকে পাওয়া যায়নি। তবে এদিন পুলিশের সামনে একবার ফোন ধরে সোনুর সঙ্গে কথা বলে। কিন্তু পুলিশ ধরতেই ফোন কেটে দেয়। সোনুর কথাবার্তায় যথেষ্ট অসংগতি রয়েছে বলে পুলিশের দাবি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তার বন্ধুর খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।