
শেষ আপডেট: 16 September 2021 16:13
শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। থরেথরে তৈরি হয় বিশ্বকর্মার মূর্তি। বেচাকেনা চলে নিজের ছন্দে।
কিন্তু পুজো হয় না এই পাড়ায়। কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা গেল বিশ্বকর্মা পুজো পেরোলেই দুর্গাপুজোর থাকে সময়ের অপেক্ষায়। কাজ থাকে প্রচুর। সেই কাজ সামলে আলাদা করে আর বিশ্বকর্মা পুজো হয় না কুমোরটুলিতে।
সময়ের অভাবে বিশ্বকর্মা পুজো হয়ে ওঠে না কুমোর পাড়ায়। "বিশ্বকর্মা পুজোর দিনেও হাতে প্রচুর কাজ থাকে। দুর্গা ঠাকুরের কাজ। একটুকুও ফুরসৎ নেই। তাই একটা পুজো করতে যা সময়ের প্রয়োজন সেই সময় থাকে না।" জানালেন মৃৎশিল্পী অশোক পাল। একই কথা বলেন শিল্পী অখিল পাল।
তবে কি কোনো পুজোই হয় না কুমোরটুলি অন্দরে? হয়, বছরে যে সময় ঠাকুর গড়ার চাহিদা থাকে না, ব্যস্ততা থাকে না। তেমন সময়েই এখানে পুজো হয়। সেখানে কালী ঠাকুর থেকে ব্রহ্মা, এমনকি গোপালেরও পুজো হয় তখন।
সময়টা কখন? দোলের আগে কুমোরটুলি মেতে ওঠে উৎসবের আনন্দে। অখিলবাবুর কথায়, "বছরে একটাই পুজো হয় আমাদের এখানে। সেখানে কালী ঠাকুর থেকে ব্রহ্মা সবার পুজো হয়।" নিজেরাই চাঁদা তুলে পুজো।করা হয় সেখানে। কারণ, "সেই সময় কাজের চাপ কম থাকে, তাই সময় পুজো করি" জানালেন অশোক পাল।
ব্যস্ততার মধ্যে মূর্তি তৈরি হচ্ছে অহরহ। সকাল থেকেই পাল্টে যায় কুমোরটুলির চিত্র। সব ঠাকুরেরই বায়না থাকে মৃৎ শিল্পের সবচেয়ে বড় মহল্লায়। তাই আলাদা করে করা হয়ে ওঠে না বিশ্বকর্মার আরাধনা। কারণ একটাই, সময়ের অভাব।