
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 7 December 2024 10:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আলুর ঊর্ধ্বমুখী দাম ঠেকাতে ভিন রাজ্যে আলু পাঠানো বন্ধ করেছে রাজ্যে। চোরা পথে আলু রফতানি ঠেকাতে সীমান্তে বাড়ানো হয়েছে নজরদারিও। বিভিন্ন চেক পোস্টে আলুর গাড়িও আটকাচ্ছে পুলিশ। কিন্ত বাজারে আলুর দাম কমছে কই? প্রশ্ন জনতার।
শনিবারও কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে কেজি প্রতি আলু ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরেই বিক্রি হচ্ছে। স্বভাবতই ক্ষুব্ধ ক্রেতারা বলছেন, সরকারি কড়়াকড়ির পরও দাম কমছে না কেন?
ক্রেতাদের কথায়, "সরকার তো মুখে বলছে। কিন্ত কাজে হচ্ছে না কেন। আলুর এত দাম। সবজির এত দাম। কীভাবে চলবে?" অন্যদিকে সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকা আলু ভর্তি লরির চালকরা বলছেন, দু'তিনদিন ধরে সীমান্তে গাড়ি আটকে রয়েছে। এভাবে চললে তো আলু পচে যাবে!
স্থানীয় সূত্রের খবর, আসানসোলের ১৯ জাতীয় সড়কে কুলটির বাংলা ঝাড়খন্ড সীমানার ডুবুর্ডিহি চেকপোষ্টে আটকানো হচ্ছে আলুর গাড়ি। দাঁড়িয়ে থাকা আলুর গাড়িগুলিকে রাজ্যের বাজারে পুনরায় না পাঠিয়ে সেখানে আটকে রাখা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে চেক পোস্টের দায়িত্বে থাকা পুলিশের একাংশ গাড়িগুলি ছেড়ে দিচ্ছে। মূলত. রফা করার জন্য দীর্ঘক্ষণ গাড়িগুলিকে দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। তারই জেরে সরকারিভাবে আলু রফতানি বন্ধ থাকলেও রাতের অন্ধকারে আলুর গাড়ি ভিন রাজ্যে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। ফলে বাজারে আলুর দাম একই রয়ে গিয়েছে বলে মত সংশ্লিষ্ট মহলের।
পুলিশের নীচুতলার একাংশের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে আলু গাড়ি বাইরের রাজ্যে পাঠানোর বিষয়ে সম্প্রতি নবান্নের বৈঠক থেকে অভিযোগ করেছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। তারপরই এ বিষয়ে কিছুটা নজরদারি বেড়েছিল বলে অনেকের বক্তব্য। তবে কয়েকদিন যাওয়ার পর পরিস্থিতি আবার একই চেহারায় ফিরেছে বলে জানাচ্ছেন তাঁরা। যদিও আলুর দাম বৃদ্ধির জন্য সরকারকেই দুষছেন আলু ব্যবসায়ীদের একাংশ। তাঁদের মতে, সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা না থাকার জেরেই এই অবস্থা।