
শেষ আপডেট: 14 December 2023 17:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লোকসভার ওয়েবসাইটের লগ-ইন পাসওয়ার্ড শেয়ার করেছিলেন বলে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ এনে তাঁকে সংসদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এথিক্স কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, এতে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে।
লোকসভার গ্যালারি থেকে ঝাঁপ কাণ্ডে এবার সেই প্রশ্নটাই নরেন্দ্র মোদীর দিকে ফেরাতে চাইলেন ইন্ডিয়া জোটের নেতারা। তাঁদের পরিষ্কার বক্তব্য, লোকসভায় যারা ঢুকে পড়েছিল তাদের ভিজিটর পাসের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ প্রতাম সিনহা। তাঁকে বরখাস্ত করা হবে না কেন?
সংসদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় গোটা দেশের মুখ পুড়েছে। সুতরাং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ ঘটনার দায় নিয়ে ইস্তফা দেবেন না কেন? সংসদের সদস্য ছিলেন মহুয়া। অমিত শাহ-প্রতাপ সিনহাও তাই। এক যাত্রায় পৃথক ফল হবে কেন?
#WATCH | On her suspension from Lok Sabha for the remainder of the winter session, DMK MP Kanimozhi Karunanidhi says, "There is an MP who has actually given the passes for these (accused of Parliament security breach) people to come in. No action has been taken against that MP.… pic.twitter.com/UtG9m1otxp
— ANI (@ANI) December 14, 2023
বৃহস্পতিবার বিকেলে তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে দলীয় মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “সংসদে ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটেছে। নিরাপত্তা বলে যে কিছু নেই, সেটা প্রমাণিত। সংসদের ভেতরে জঙ্গিহানার স্টাইলে যেভাবে ঝাঁপ দেওয়া হয়েছে, তাতে আরও বড় ধরনের ঘটনা ঘটে যেতে পারত। এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চূড়ান্ত ব্যর্থতা প্রমাণিত হয়েছে। তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছি। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে বিবৃতি দিতে হবে।”
মহুয়ার প্রসঙ্গ টেনে কুণাল আরও বলেন, “যদি সামান্য প্রশ্নের জন্য পাসওয়ার্ড দেওয়ায় মহুয়ার মৈত্রর সাংসদ পদ বাতিল করা হতে পারে তাহলে যে পাস দিয়ে দুষ্কৃতীদের সংসদের ভেতরে ঢুকতে সাহায্য করল, সেই মহীশূরের বিজেপি সাংসদ প্রতাপ সিনহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না কেন?”
কুণাল দাবি করেছেন, নতুন সংসদ ভবনের নিরাপত্তায় বুধবার ডিউটিতে থাকার কথা ছিল ৩০১ জন জওয়ানের। কার্যক্ষেত্রে ডিউটিতে ছিলেন ১৭৬ জন। বাকিরা কোথায় ছিলেন, সেই প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি জবাবও দিয়েছেন কুণাল নিজেই। তাঁর অভিযোগ, বাংলার বিজেপি নেতাদের পাহারা দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অপব্যবহার করছে বিজেপি। তারই জেরে সংসদের মধ্যে জায়গায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকছে না।