
শেষ আপডেট: 21 August 2023 11:06
ডঃ বিক্রম আম্বালাল সারাভাই[/caption]
ডঃ বিক্রম আম্বালাল সারাভাই। ইসরোর প্রাণপুরুষ। তাঁকে সম্মান জানিয়েই এই ঐতিহাসিক চন্দ্রযাত্রায় তাই ‘বিক্রম’ নামটা যোগ করেছে ইসরো। ল্যান্ডার তৈরি হয়েছে প্রয়াত বিক্রম সারাভাইয়ের নামেই।
আমদাবাদে জন্মগ্রহণ করেন বিজ্ঞানী বিক্রম সারাভাই। তাঁকে ভারতের ‘অন্তরীক্ষ গবেষণার জনক’ বলা হয়। কেমব্রিজ থেকে ফিরে পরিবার ও বন্ধুদের সাহায্যে ১৯৪৭ সালের ১১ নভেম্বর আমদাবাদে গড়ে তোলেন ‘ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি’ (পিআরএল)। ১৯৬৬ সালে আমদাবাদে কমিউনিটি সায়েন্স সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন যা এখন বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার নামে পরিচিত। পরবর্তীকালে অ্যাটোমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও হয়েছিলেন তিনি। পিআরএল ছাড়াও আমদাবাদের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট, কমিউনিটি সায়েন্স সেন্টার, দর্পণ অ্যাকাডেমি-সহ একাধিক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছিলেন তিনি। ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ ও ১৯৭২ সালে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ খেতাব দেওয়া হয় তাঁকে।
[caption id="attachment_125913" align="aligncenter" width="647"]
ল্যান্ডার বিক্রম[/caption]
চাঁদের কক্ষপথ পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে ৩ লক্ষ ৮২ হাজার কিলোমিটার দূরে। ২২ জুলাই ভারতের মাটি ছাড়লে অগস্টেই চাঁদের কক্ষপথে ঢুকে পড়বে চন্দ্রযান। কক্ষপথে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উপরে থাকতেই চন্দ্রযানের পেট থেকে বেরিয়ে আসবে ল্যান্ডার ‘বিক্রম।’ নামবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে (৭০ ডিগ্রি অক্ষাংশ) । ল্যান্ডার থেকে বার হবে ২৭ কেজি ওজনের ৬ চাকার রোভার। চাঁদের মাটিতে ঘুরে ঘুরে ছবি ও তথ্য পাঠাবে সে।
[caption id="attachment_125915" align="aligncenter" width="659"]
রোভার প্রজ্ঞান[/caption]
ইসরো জানিয়েছে, চাঁদের এক পক্ষকাল অর্থাৎ ১৪ দিন ধরে কাজ করতে পারবে ‘বিক্রম।’ রোভারও সচল থাকবে ১৪ দিন ধরে। প্রতি বারে ১৫০-২০০ মিটার অবধি গুটি গুটি পায়ে এগোতে থাকবে সে। পরীক্ষামূলক ভাবে চাঁদের মাটি, তার রাসায়নিক উপাদানের কাটাছেঁড়া করতে পারবে। প্রতি ১৫-২০ মিনিট অন্তর অরবিটারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য গ্রাউন্ড স্টেশনে পাঠাবে রোভার।