উত্তর চাইতে ৩১ ডিসেম্বর দিল্লি যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় (TMC) সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhisek Banerjee)। তাঁর সঙ্গে দলের আরও কয়েক জন শীর্ষ নেতা থাকবেন।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
শেষ আপডেট: 27 December 2025 21:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অসঙ্গতি রয়েছে এমন ১ কোটি ৩৬ লক্ষ কারা? উত্তর চাইতে ৩১ ডিসেম্বর দিল্লি যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় (TMC) সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhisek Banerjee)। তাঁর সঙ্গে দলের আরও কয়েক জন শীর্ষ নেতা থাকবেন।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) সঙ্গে দেখা করে এসআইআর সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরাই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য বলে জানালেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ (TMC MP)।
অভিষেকের বক্তব্য, যদি সত্যিই ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ভোটারের নামে ‘লজিক্যাল ডিসক্রিমেন্সি’ বা বাতিলের তালিকা থাকে, তা হলে সেই তালিকা জনসমক্ষে আনুক কমিশন। একই ভাবে, যদি এক কোটি রোহিঙ্গা বা বাংলাদেশি থাকার দাবি করা হয়, তারও নথি প্রকাশ করতে হবে। অভিষেকের কড়া বার্তা, “হয় তালিকা প্রকাশ করুন, না হলে বাংলার মানুষের কাছে কান ধরে ক্ষমা চান।”
এদিন অভিষেক প্রশ্ন তোলেন, ভোটার তালিকা যাচাইয়ের দায়িত্ব কার? তিনি বলেন, “বিএলও, ইআরও-রা বাড়ি বাড়ি ঘুরে যে কাজ করতে এক মাসেরও বেশি সময় নিলেন, সেটা কী ভাবে এক দিনে, এক ঘণ্টার মধ্যেই বার করে দেওয়া হল?” তাঁর দাবি, এই সংক্রান্ত একাধিক স্ক্রিনশট তাঁদের কাছে রয়েছে।
অভিষেকের অভিযোগ, সীমা খন্না নামে এক আধিকারিকের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে। কার নির্দেশে তিনি কাজ করছেন? তাঁর সঙ্গে হওয়া চ্যাটের স্ক্রিনশট আমাদের হাতে আছে। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, সফটওয়্যারের ত্রুটির কারণেই এই সমস্যা হয়েছে।
তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই সব প্রমাণ সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জমা দেওয়া হবে। অভিষেক আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কাউকে আড়াল করছে না। যদি সত্যিই তালিকা থাকে, তা প্রকাশ করতে অসুবিধা কোথায়?” তাঁর মতে, তালিকা প্রকাশ না করে ভয় আর বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, যা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক।
বস্তুত, গত নভেম্বর মাসে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে গেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল (TMC Delegation)। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁরা জানিয়েছিল, কমিশনকে যা প্রশ্ন করা হয়েছে তার কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। যদিও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল, তারা প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। এদিন কমিশনের বক্তব্যকে মিথ্যে বলে দাবি করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।