Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নেতা-মন্ত্রীদের হোয়াটস্অ্যাপ কল ট্যাপ হচ্ছে! ইজরায়েলি সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা মেসেজিং অ্যাপের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফাটল ধরেছে হোয়াটস্অ্যাপের সুরক্ষা বলয়ে। গোপন ছিদ্রপথে ব্যক্তিগত তথ্য চলে যাচ্ছে দুষ্ট চক্রের হাতে।কথোপকথন, শেয়ার করা ছবি, ভিডিয়ো-অডিয়ো, সবই বেহাত হয়ে যাচ্ছে এক লহমায়। আর হ্যাকারদের নিশানায় রয়েছে ভারতের সাংবাদিক, রাজনীতিক, আ

নেতা-মন্ত্রীদের হোয়াটস্অ্যাপ কল ট্যাপ হচ্ছে! ইজরায়েলি সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা মেসেজিং অ্যাপের

শেষ আপডেট: 30 October 2019 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফাটল ধরেছে হোয়াটস্অ্যাপের সুরক্ষা বলয়ে। গোপন ছিদ্রপথে ব্যক্তিগত তথ্য চলে যাচ্ছে দুষ্ট চক্রের হাতে।কথোপকথন, শেয়ার করা ছবি, ভিডিয়ো-অডিয়ো, সবই বেহাত হয়ে যাচ্ছে এক লহমায়। আর হ্যাকারদের নিশানায় রয়েছে ভারতের সাংবাদিক, রাজনীতিক, আইনজীবী, সমাজকর্মীদের মতো বিশেষ কিছু পেশার মানুষজন। সুরক্ষা বলয় ভেঙে হ্যাকারদের বিশেষ ‘সফটওয়্যার’-এর ঢুকে পড়ার ঘটনা স্বীকার করেছেন হোয়াটস্অ্যাপ কর্তৃপক্ষ। পুরো ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠছে ইজরায়েলি সংস্থা 'এনএসও' (NSO)-র দিকে, আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় যারা পরিচিত ‘সাইবার অস্ত্রের ডিলার’ হিসেবে। এই সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করেছে হোয়াটস্অ্যাপ। কীভাবে হোয়াটস্অ্যাপের সুরক্ষা বলয় ভাঙছে ইজরায়েলের ওই সংস্থা সেটা এখনও স্পষ্ট নয় সাইবার বিশেষজ্ঞদের কাছে। তবে মনে করা হচ্ছে, হোয়াটস্অ্যাপের  ‘ভয়েস কলিং’ ফিচার ব্যবহার করে সুরক্ষার বাঁধুনী ভেঙে চলেছে হ্যাকাররা। কোনও একটি নির্দিষ্ট মোবাইল সেটে ‘ভয়েস কল’ করে ওই নজরদারি সফটওয়্যার ‘ইনস্টল’ করে দিচ্ছে হ্যাকাররা। ফলে ওই নির্দিষ্ট মোবাইল সেট থেকে যাবতীয় গোপন ও ব্যক্তিগত তথ্য পাচার হয়ে যাচ্ছে হ্যাকারদের কাছে। হোয়াটস্অ্যাপের এক মুখপাত্র বলেছেন, "ভারতের সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা মূল নিশানা। তা ছাড়াও রাজনীতিবিদ, সমাজকর্মীরাও রয়েছেন। অন্তত ১৪০০ জন ইতিমধ্যেই আক্রান্ত। গোপনে তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে নিচ্ছে হ্যাকারদের সফটওয়্যার। এখনও অবধি আক্রান্তদের নাম ও মোবাইল নম্বর আমরা জানতে পারিনি। তবে খুব দ্রুত হোয়াটস্অ্যাপের সুরক্ষা কবচ মজবুত করার চেষ্টা চলছে।" https://twitter.com/derekobrienmp/status/1189756480871747585 এই মুহূর্তে সারা পৃথিবীতে ১৫০ কোটিরও বেশি হোয়াটস্অ্যাপ ইউজার রয়েছেন। তথ্যচুরির বিষয়টা সামনে আসার পরই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছে হোয়াটস্অ্যাপ কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে এই ‘নজরদারি সফটওয়্যার’-এর হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়াও শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। হোয়াটস্অ্যাপের মালিক ফেসবুক আগেই জানিয়েছিল এই মেসেজিং অ্যাপে বলা কথা, পাঠানো সব লেখা, অডিয়ো বা ভিডিয়ো প্রেরক ও প্রাপক বাদে তৃতীয় কোনও ব্যক্তির পক্ষে দেখা-শোনা সম্ভব নয়। গোপনীয়তার সেই সুরক্ষাকবচ যে মোটেই নিশ্ছিদ্র নয়, কার্যত সেটাই আজ কবুল করে নিল ফেসবুক। হোয়াটস্অ্যাপের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, হামলার ধরন দেখে এটা নিশ্চিত, আড়ি পাতার সফটওয়্যারটি তৈরি করেছে ইজ়রায়েলের সাইবার সুরক্ষা সংস্থা ‘এনএসও গ্রুপ’ এবং 'কিউ সাইবার টেকনোলজি।' সাইবার বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই সংস্থাই একসময় বানিয়েছিল কুখ্যাত ‘পেগাসাস’ সফটওয়্যার, যা যে কোনও মোবাইলে আড়ি পাততে সক্ষম। নির্দিষ্ট মোবাইল সেটে একবার জমিয়ে বসতে পারলেই এই সফটওয়্যার সেই ব্যক্তির অবস্থান, তার যাবতীয় জরুরি ও ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে নিতে পারে নিমেষের মধ্যে। পেগাসাসের বৈষিষ্ট্য হল এরা গ্রাহককে ‘exploit link’-এ ক্লিক করতে বাধ্য করে। একবার এই লিঙ্কে ক্লিক করলে সেই গ্রাহকের মোবাইলের সুরক্ষা কবচ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। ছবি, অডিও-ভিডিও, লোকেশন তো বটেই গোপনীয় পাসওয়ার্ডও হাতে এসে যায় হ্যাকারদের। এর আগে অ্যাপলের দুর্ভেদ্য সুরক্ষা বলয়ও ভেঙে ফেলেছিল ইজরায়েলি সাইবার হ্যাকারদের এই গোপন সংস্থা। বিভিন্ন দেশকে গোপনে ‘সাইবার অস্ত্র’ সরবরাহ করার অভিযোগও আছে এনএসও-র বিরুদ্ধে। এই সাইবার অস্ত্রের মাধ্যমে কোনও শত্রু দেশের সমস্ত পরিকাঠামো ধ্বংস করে দিতে পারে ইজরায়েলের এই সাইবার হ্যাকাররা। বিভিন্ন সময় তাদের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে অ্যামনেস্টি সহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থাও। আন্তর্জাতিক অস্ত্র বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করেন, এই দলের পিছনে রয়েছে ইজরায়েলি সেনার হাত।  কয়েক বছর আগে ‘স্টাক্সনেট’ ভাইরাস  দিয়ে সাইবার  হামলা চালিয়ে ইরানের পরিকাঠামো ধ্বংস করতে অনেকটাই সফল হয়েছিল তারা। https://www.four.suk.1wp.in/pujomagazine2019/%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae/

```