
শেষ আপডেট: 11 November 2023 17:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাত পোহালেই শুরু হবে মা কালীর আরাধনা। কালীঘাট থেকে তারাপীঠ, মন্দিরে মন্দিরে ব্যস্ততা তুঙ্গে। রাজ্য জুড়ে হচ্ছে সর্বজনীন পুজোও। শনিবার দিঘার একটি পুজোর উদ্বোধনে হাজির হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। সেখান থেকেই শুভেন্দু জানালেন এবারের কালীপুজোয় মায়ের কাছে কী প্রার্থনা করতে হবে।
শুভেন্দু বলেন, কালীঘাটের মন্দির বলুন কিংবা দক্ষিণেশ্বরের দক্ষিণা কালী, তারাপীঠের তারা মায়ের মন্দির কিংবা আদ্যাপীঠের কালী, সব জায়গায় নিষ্ঠা ভরে মায়ের পুজো হবে। অশুভ শক্তির বিনাশ চেয়ে প্রার্থনা জানাতে হবে।
অশুভ শক্তি বলতে তিনি কী বোঝাতে চাইছেন তাও স্পষ্ট করেছেন শুভেন্দু, “যারা আটা, গম, ধান, চাল, কয়লা, গরু এবং চাকরি চুরি করছে- তারা যাতে অচিরেই ধ্বংস হতে পারে সেই প্রার্থনা কালী মায়ের কাছে আমরা করব।”
মা কালীকে অবজ্ঞা করলে কী হয়, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, “সনাতন হল চিরন্তন যার আদি নেই অন্ত নেই। অবজ্ঞা করলে কী হয়, তার জন্য একটা উদাহরণই যথেষ্ট। পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগরের মাননীয় সাংসদ তিনি বলেছিলেন মা কালী মদ খান, তারা মা নাকি সুরাপান করেন, মা কালী গাঁজা খান। এক বছর ঘুরতে না ঘুরতেই মা কালীর মহিমা দেখুন, ধ্বংস হয়ে গেছেন সেই সাংসদ।“
আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরে রামলালা প্রবেশ করবেন। ওই দিন এরাজ্যের বিজেপি কর্মীদের কী কী করতে হবে, তা জানাতে আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ জানুয়ারি সনাতনী ভলেন্টিয়াররা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাবেন বলেও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। ২৪ ডিসেম্বর ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের সভায় আসার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানানো হয়েছে। ওই অনুষ্ঠান থেকে গীতা পাঠের পাশাপাশি সকলকে গীতা তুলে দেওয়ার কর্মসূচি নিচ্ছে গেরুয়া শিবির।
সেকথা জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “চিন্তার কোনও কারণ নেই, পশ্চিমবঙ্গ আগামী দিনে যোগীর রাজ্য হতে চলেছে।” যা শুনে তীব্র কটাক্ষের সুরে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “উনি দিবা স্বপ্ন দেখছেন। চব্বিশের লোকসভা ভোটে বাংলার মানুষ এরাজ্যে বিজেপিকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে।”