দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার ভারতীয় সেনাবাহিনীতে তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল। সেই সঙ্গে জাতীয় রাজনীতিতেও। কাশ্মীরের ডিজিপি দাভিন্দর সিং ধরা পড়েছিলেন তিন জঙ্গি সমেত। এরপর মঙ্গলবার লোকসভার কংগ্রেস দলনেতা একাধিক টুইটে ওই ঘটনা নিয়ে টুইট করেন। একটি টুইটে বহরমপুরের সাংসদ লেখেন, “দাভিন্দর যদি সিং না হয়ে খান হতো! তাহলে আরএসএস মুসলিমদের বিরোধিতায় নেমে পড়ত। কিন্তু আমি মনে করি সন্ত্রাসের কোনও ধর্ম হয় না।” আর অধীরের এই মন্তব্যের পরেই কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ধর্ম টেনে রাজনীতির অভিযোগ তুলল বিজেপি।
বিজেপির অন্যতম মুখপাত্র সম্বিত পাত্র বলেন, “এটাই কংগ্রেসের চরিত্র। ওরাই আসলে সব কিছুতে ধর্মকে টেনে আনে। দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এমন একটা সাংঘাতিক ঘটনা সামনে এসেছে।, ওরা সেটা নিয়েও হিন্দু-মুসলমান করছে।”
নিজের বাড়িতে দুই জঙ্গিকে আশ্রয় দিয়েছিল দাভিন্দর সিং। গ্রেফতারের পর দাভিন্দরের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তারপর প্রকাশ্যে আসে এই তথ্য। জানা গিয়েছে, হিজবুলের এই জঙ্গিদের নিজের বাড়িতেই লুকিয়ে রেখেছিলেন দাভিন্দর। শ্রীনগরের বাদামিবাগ ক্যান্টনমেন্টে ছিল দাভিন্দর সিংয়ের কোয়ার্টার। সেখানেই হিজবুল জঙ্গিদের লুকিয়ে রেখেছিল এই পুলিশ কর্তা। সর্বক্ষণ কড়া নিরাপত্তায় মোড়া থাকত এই কোয়ার্টার। তাহলে কীভাবে সকলের চোখ এড়িয়ে দাভিন্দর এমন কাণ্ড ঘটালেন তাই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
এর মধ্যেই আবার জানা গিয়েছে, ধৃত দাভিন্দর পুলিশের কাছে স্বীকার করে নিয়েছে, সে জঙ্গিদের থেকে ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল আশ্রয় দেওয়ার জন্য। এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে, উনিশের ফেব্রুয়ারিতে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলায় দাবিন্দরের কোনও যোগ ছিল কিনা। কিন্রু এসবের মধ্যেই ‘সিং-খান’ নিয়ে রাজনোইতিক চাপানউতোর শুরু হয়ে গেল কংগ্রেস বিজেপির।