Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৩৩ বছর পর মুখোমুখি ইজরায়েল-লেবানন! ওয়াশিংটনের বৈঠকে কি মিলবে যুদ্ধবিরতির সমাধান?ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকের

সেই রাতে কী ঘটেছিল? ট্যাংরা কাণ্ডে এখনও বহু মিসিং লিঙ্ক, পুলিশি নজরদারিতে এনআরএসে প্রণয়

ট্যাংরা কাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তিনজনকে মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করার ভাবনা রয়েছে তদন্তকারীদের।

সেই রাতে কী ঘটেছিল? ট্যাংরা কাণ্ডে এখনও বহু মিসিং লিঙ্ক, পুলিশি নজরদারিতে এনআরএসে প্রণয়

গ্রাফিক্স, দ্য ওয়াল।

শেষ আপডেট: 22 February 2025 21:17

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘড়ির কাঁটায় রাত ৮টা ৪০ মিনিট। ট্যাংরা কাণ্ডে (Tangra Triple Deaths) রুবির বেসরকারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া হল বড় ভাই প্রণয় দে কে। সেখান থেকেই পুলিশি প্রহরায় প্রণয়কে নিয়ে যাওয়া হল এনআরএস মেডিক্যালের অর্থপেডিক বিভাগে। আপাতত পুলিশি পাহারায় এখানেই থাকবেন প্রণয়। পুলিশ সূত্রের খবর, প্রাথমিক ধাক্কা সামলে কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠার পরই শুরু হবে জেরা পর্ব। 

সংশ্লিষ্ট বেসরকারি হাসপাতালে এখনও ভর্তি রয়েছেন প্রণয়ের ছেলে ও ভাই প্রসূন। সোমবার তাঁদেরও ডিসচার্জ করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে ট্যাংরা কাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তিনজনকে মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করার ভাবনা রয়েছে তদন্তকারীদের।

এদিন রাতে এনআরএসে ঢোকার সময় সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের জবাবে কোনও মন্তব্য করতে চাননি প্রণয়। পুলিশ সূত্রের খবর, তদন্তেও বহু প্রশ্নের জবাবে নীরব থেকেছেন দুই ভাই। ফলে সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে এখনও বহু মিসিং লিঙ্ক রয়েছে। 

ইতিমধ্যে দুই ভাইযের আত্মহত্যার তত্ত্ব খারিজ করে দিয়েছে মৃতদের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট। সেখানে পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে, বাড়ির দুই বধূকে খুনই করা হয়েছে। দে পরিবারের বাড়ির তিনতলা থেকে রক্তমাখা জামাকাপড়ও উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। ফলে খুনী ওখানেই পোশাক বদলেছিলেন কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, কে বা কারা খুন করল দুই বধূকে? তদন্তে নেমে পুলিশের অনুমান, শুধু বিষক্রিয়ায় নয়, শ্বাসরোধও করা হয়েছিল। পরে মৃত্যু নিশ্চিত পরে মৃত্যু নিশ্চিত করে দুই বউয়ের হাতের শিরাও কেটে ফেলা হয়েছিল। এ ব্যাপারে পুলিশের সন্দেহের তালিকায় রয়েছে বাড়ির দুই ভাই প্রসূন ও প্রণয়। প্রাথমিক সুস্থতার পরই শুরু হতে পারে জেরা পর্ব।

ট্যাংরার পরিবারের তিনজনের দেহ তিনটি আলাদা ঘর থেকে মিলেছিল। চিকিৎসকেরা আগেই জানিয়েছিলেন, 'নিখুঁত ভাবে' দুই বধূর হাতের শিরা কাটা হয়েছিল। যেরকম নিখুঁত ভাবে শিরা কাটা হয়েছে তা একমাত্র ঘুমন্ত বা অচৈতন্য অবস্থায় থাকলেই সম্ভব। কাটার সময়ে দু'জনের কারও হাত সে ভাবে নড়েইনি পর্যন্ত। অনুমান, ঘুমের ওষুধ মেশানো পায়েস খাওয়ার যে দাবি করা হচ্ছে তা খেয়েই অচৈতন্য হয়ে পড়েছিলেন তাঁরা। সে সময়েই তাঁদের খুন করেন দুই ভাই। 


```