Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

খুব দরকার ছাড়া নতুন নিয়োগ নয়, লোক কমানোর চেষ্টা করুন, সাফ নির্দেশ মুখ্য সচিবের

পুলিশ তথা স্বরাষ্ট্র দফতরের প্রস্তাব ছিল শিলিগুড়ি কমিশনারেটের আটটি থানা ও ট্রাফিক গার্ডের জন্য ৪৩৬ জন সিভিক ভলান্টিয়ার নিতে হবে। এ জন্য বছরে খরচ হবে ৫.০২ কোটি টাকা। 

খুব দরকার ছাড়া নতুন নিয়োগ নয়, লোক কমানোর চেষ্টা করুন, সাফ নির্দেশ মুখ্য সচিবের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শেষ আপডেট: 17 July 2024 00:03

রফিকুল জামাদার

পুলিশ তথা স্বরাষ্ট্র দফতরের প্রস্তাব ছিল শিলিগুড়ি কমিশনারেটের আটটি থানা ও ট্রাফিক গার্ডের জন্য ৪৩৬ জন সিভিক ভলান্টিয়ার নিতে হবে। এ জন্য বছরে খরচ হবে ৫.০২ কোটি টাকা। 

•    স্কুল শিক্ষা দফতরের প্রস্তাব ছিল, ১৯০টি শূন্যপদ পূরণ করতে হবে। বছরে ১১.৬০ কোটি টাকা দরকার এজন্য।

•    খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দফতর আবার ২৮ জন নিরাপত্তা রক্ষী ও ১৪২ জন উদ্যান পালন প্রযুক্তি সহায়ক নিয়োগ করতে চাইছে। তাদের লাগবে বছরে ৫.৭৪ কোটি টাকা। 

•    এরই সঙ্গে পূর্ত, শ্রম, স্বাস্থ্য, কৃষি দফতর নিয়োগের ব্যাপারে নিজের নিজের তালিকা পেশ করেছিল। 

কিন্তু মুখ্য সচিব এবং অর্থ সচিব পষ্টাপষ্টি জানিয়ে দিলেন, অত লোক নেওয়া যাবে না। খুব যদি দরকার মনে হয়, তা হলে অনুমোদিত শূন্যপদের বড় জোর ৫০ শতাংশ নিতে পারেন। 

যার অর্থ পরিষ্কার। এমন নয় যে বর্তমান কর্মীদের ছাঁটাই করার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু রাজ্য সরকারি দফতরে যে সব শূন্য পদ তৈরি হচ্ছে, তা ভরাট করার প্রস্তাব সোমবার বড় ধাক্কা খেল। এবং পরিষ্কার হয়ে গেল, নবান্ন এবার সরকারি কর্মচারীদের বহর কমাচ্ছে। ‘প্রয়োজনের অতিরিক্ত’ যে পদ তৈরি হয়ে রয়েছে, তার কাটছাঁটে হাত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর কারণ একটাই। তা হল—রাজ্যের তীব্র অর্থ সংকট। 

সোমবার এ ব্যাপারে নবান্নে বৈঠক ডেকেছিলেন মুখ্য সচিব ভগবতী প্রসাদ গোপালিকা। সরকারের মুখ্য কিছু দফতরের সচিবকে সেখানে ডাকা হয়েছিল। ওই বৈঠকেই মুখ্য সচিব জানিয়ে দেন, বুঝে সুঝে লোক নিতে হবে। শূন্য পদ তৈরি হলেই ঝাঁপিয়ে পড়ে তা পূরণ করা যাবে না। কত লোক না হলেই নয় তা নিয়ে দশবার ভাবতে হবে। মুখ্য সচিব এও জানিয়েছেন, রাজ্যে বেশ কয়েকটি উন্নয়ন পর্ষদ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে যে কর্মীরা রয়েছেন, দরকার হলে তাদের অন্য দফতরে ট্রান্সফার করা হোক। 

নবান্নের এই কঠোর পদক্ষেপের রূপরেখা তৈরি করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কদিন আগে শীর্ষ আমলাদের নিয়ে এক বৈঠকে মমতা বলেন, বহু সরকারি দফতরে কর্মীদের কোনও কাজ নেই। আসে যায় মাইনে পায়। তাঁদের জন্য আলো জ্বলে, পাখা ঘোরে, কিন্তু প্রোডাক্টিভ কিছু পায় না সরকার। বড় কথা হল, এই সব দফতরে কর্মীদের অনেকেই কখন আসেন, কখন বেরিয়ে যান তারও হিসাব নেই। অর্থাৎ খামোখা টাকা বেরিয়ে যাচ্ছে। 

মুখ্যমন্ত্রীর মনোভাব বুঝে সোমবার বৈঠক ডেকেছিলেন গোপালিকা। এ ব্যাপারে একটা সরকারি কমিটি রয়েছে। যার নাম স্টেট লেবেল কমিটি অন রাশানালাইজেশন অ্যান্ড অপটিমাল ইউটিলাইজেশন অফ হিউম্যান রিসোর্সেস (State Level Committee on Rationalization and Optimal Utilization of Human Resources)। ওই বৈঠকে অর্থ সচিব মনোজ পন্থ আবার জানিয়েছেন, কোনও সরকারি দফতরে নয়া নির্মাণের জন্য এখন যেন কেউ প্রস্তাব না পাঠান। কারণ, কোনও নতুন নির্মাণের প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হবে না। 

এ ব্যাপারে সরকারকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিরোধীরা। বিজেপির অগ্নিমিত্রা পল বলেন, 'সরকারের উচিত ছিল চুরি আটকানো। তা আটকাতে পারছে না। এখন নিয়োগ বন্ধ রেখে রাজ্যের নতুন প্রজন্মের সুযোগ ও সম্ভাবনার পথ বন্ধ করছে। এও এক অনাচার।'


```