
সিপিএম
শেষ আপডেট: 17 December 2024 07:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিরোধীরা বলছে দলটা রবার স্ট্যাম্পে পরিণত হয়েছে। মানুষও যে খুব একটা ভরসা করতে পারছে বা আস্থা রাখতে পারছে তা নয়। দলেরই কর্মীরা বলছে অন্দরে গলদ রয়েছে বিস্তর। সিপিএম বাংলায় ক্ষমতা হারানোর পর থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা করলেও কোনও ভাবেই খাতা খুলতে পারছে না।
ওয়াকিবহাল মহল ভেবেছিল আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর যেভাবে বামেরা আন্দোলন, মিটিং, মিছিল করেছে, শাসক দলের মুখ পুড়েছে তাতে হয়তো উপনির্বাচনে কিছুটা জায়গা ফিরে পেতে পারে সিপিএম। কিন্তু মানুষের যে এখনও তৃনমূলেই আস্থা তা প্রমাণিত।
দ্বিতীয় আর তৃতীয় স্থানের মধ্যে চলেছে লড়াই। ঘুরে দাঁড়াতে বারবার নিজেদের ভেঙেছে-গড়েছে বামেরা। বদলেছে স্ট্র্যাটেজি। তারপরও খুব বেশি লাভ হয়নি। ২০২৬-এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে আবারও রণকৌশল বদলাতে চাইছে বামেরা। আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর, এর জন্য নাকি খসড়া ব্লু প্রিন্ট তৈরি হয়ে গিয়েছে।
কী? না এবার থেকে নেতারা শুধুই শুনবেন। কথা বলবে না শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের মুখ হিসেবে যাঁরা যে কোনও ইস্যুতে কথা বলেন, তাঁরাই এবার থেকে চুপ থাকবেন। এবার থেকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে কর্মীদের। তাঁরা বলবেন, আর নেতারা শুনবেন। এভাবেই পার্টি কর্মীদের 'শিক্ষিত' করতে চাইছে সিপিএম।
ওই সূত্র জানাচ্ছে, দলে সিদ্ধান্ত হয়েছে সপ্তাহ খানেক বক্তাদের একটা টপিক বা বিষয় দিয়ে দেওয়া হবে। তার ওপর ভাশন বা আলোচনা করতে হবে পার্টি কর্মীদের।
'কমরেডরা' নির্বাচিত বিষয়ে পড়াশুনো করে নিজেদের বক্তৃতা দেওয়ার মতো করে তৈরি করবেন। তারপরে জেলা কমিটি বা এরিয়া কমিটির বৈঠকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের উপরে বক্তৃতা করবেন। বলার জন্য সময় দেওয়া হবে অন্তত ৪৫ মিনিট। শুনবেন পার্টির নেতারা।