Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

West Bengal Budget 2025: 'বাংলার বাড়ি' প্রকল্পে ৯,৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

'বাংলার আবাস যোজনা' প্রকল্পে ৪০ শতাংশ অর্থ রাজ্য সরকার দেয়। গরিব মানুষদের সাধ্যের মধ্যে বাসস্থান প্রদানের প্রকল্প ২০১৫-১৬ সাল থেকে শুরু হয়েছিল। ২০২১-২২ পর্যন্ত এই স্কিমে ৩৪,১৮,৯৫৯ টি বাড়ি তৈরি হয়। 

 West Bengal Budget 2025: 'বাংলার বাড়ি' প্রকল্পে ৯,৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

শেষ আপডেট: 12 February 2025 18:43

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলার আবাস যোজনা প্রকল্প নিয়ে আগেই বড় ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বাকি ১৬ লক্ষ বাড়ির যে টাকা বাকি রয়েছে, সেই কিস্তির টাকাও ২০২৬ সালের আগে দু'দফায় মিটিয়ে দেওয়া হবে। মমতা যে সেই ঘোষণা শুধু হাওয়ায় হাওয়ায় করেননি তার প্রমাণ পাওয়া গেল রাজ্য বাজেটে।

১৬ লক্ষ অতিরিক্ত যোগ্য পরিবারকে প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের অধীনে অন্তর্ভুক্ত করতে চলেছে রাজ্য সরকার। এই পর্যায়ের প্রথম কিস্তির টাকা, পরিবার পিছু ৬০,০০০ টাকা হারে, এই বছর ডিসেম্বর মাসের মধ্যে প্রদান করা হবে বলে বাজেটে জানানো হয়েছে। যে কারণে ৯,৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বলা হয়েছে এই পর্যায়ের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা বাড়ি নির্মাণের অগ্রগতির ভিত্তিতে প্রদান করা হবে।

এছাড়া, আরও আবেদনকারী থাকলে এই প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে একই প্রক্রিয়ায় সেই আবেদনগুলি বিবেচনা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে রাজ্য বাজেটে।

বস্তুত, 'বাংলার আবাস যোজনা' প্রকল্পে ৪০ শতাংশ অর্থ রাজ্য সরকার দেয়। গরিব মানুষদের সাধ্যের মধ্যে বাসস্থান প্রদানের প্রকল্প ২০১৫-১৬ সাল থেকে শুরু হয়েছিল। ২০২১-২২ পর্যন্ত এই স্কিমে ৩৪,১৮,৯৫৯ টি বাড়ি তৈরি হয়। 

বুধবারের রাজ্য বাজেটে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রকল্পে আর্থিক সাহায্য বন্ধ করার কারণে, রাজ্যের গরিব মানুষদের প্রতি দায়বদ্ধ সরকার তাদের দুর্দশা দূর করতে সম্পূর্ণ রাজ্যের খরচে ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর 'বাংলার বাড়ি (গ্রামীণ)' প্রকল্প চালু করে।

প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ১২ লক্ষ যোগ্য গরিব পরিবারকে পাকাবাড়ি প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য হয়েছিল। রাজ্য সরকার এজন্য ১৪,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে। এই পর্যায়ের আর্থিক সাহায্যের প্রথম কিস্তি পরিবারপিছু ৬০,০০০ টাকা হারে মোট ৭২০০ কোটি টাকা ইতিমধ্যে ছাড়া হয়েছে এবং দ্বিতীয় ও সর্বশেষ কিস্তি ২০২৫ সালের জুন মাসের মধ্যে ছাড়া হবে বলে জানানো হয়েছে।


```