Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলার ৩৯৯ সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত কলেজ পাবে ৫ লক্ষ টাকা, লাইব্রেরিকে উন্নত করাই লক্ষ্য সরকারের

যদিও আগেও বই কেনার তহবিল মিলেছে, এই প্রথম একসঙ্গে রাজ্যের সব অনুদানপ্রাপ্ত কলেজকে সমানভাবে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, এটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

বাংলার ৩৯৯ সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত কলেজ পাবে ৫ লক্ষ টাকা, লাইব্রেরিকে উন্নত করাই লক্ষ্য সরকারের

প্রতীকী ছবি

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 12 September 2025 20:28

দ্য ওয়াল ব্যুরো: লাইব্রেরিকে (library) নতুন করে সাজিয়ে গুছিয়ে তুলতে বই ও জার্নাল (books and journals) কেনার জন্য ৫ লক্ষ টাকা করে অনুদান পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের সরকার-অনুদানপ্রাপ্ত কলেজ (Government-Aided Colleges)। ৩৯৯টি কলেজ রয়েছে এই প্রকল্পের আওতায়। ‘ইন-প্রিন্সিপল অনুমোদন’ হিসেবে মোট বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা। কর্তৃপক্ষ ও অধ্যক্ষদের মতে, বিশেষ করে ছোট কলেজগুলোকে এটি এক রকমের জীবনীশক্তি জোগাবে।

অধ্যক্ষরা মনে করছেন, বড় কলেজের পক্ষে এই অর্থ কিছুটা কম মনে হতে পারে, কিন্তু বাজেটের খামতি রয়েছে এমন ছোট কলেজগুলোর জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ অবলম্বন। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই তহবিলটি জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP) 2020-এর অধীনে নতুন পাঠ্যক্রমের (যা ২০২৩ থেকে কার্যকর হয়েছে) সঙ্গে তাল মিলিয়ে লাইব্রেরির বইয়ের সংগ্রহ শক্তপোক্ত করার উদ্দেশ্যে বরাদ্দ করা হচ্ছে।

নব বালিগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ অয়ন্তিকা ঘোষ বলেন, “গত বছরগুলো ছিল উচ্চশিক্ষার জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং। ভর্তিতে দেরি ও নতুন পাশ করা শিক্ষার্থীদের অনিশ্চয়তার সময়। এমন সময়ে দাঁড়িয়ে এই অনুদান পড়াশোনার পরিবেশে জীবনদানের সমতুল্য। জাতীয় শিক্ষানীতির নতুন, ছাত্র-কেন্দ্রিক পাঠ্যক্রমের জন্য বই-জার্নালের প্রয়োজন বেড়ে গিয়েছে এবং শিক্ষকরা এই তিন বছরে এই ঘাটতি পূরণে যথেষ্ট বেগ পেয়েছেন।”

শিক্ষাবিভাগ ও একাধিক শিক্ষাবিদই উল্লেখ করেছেন, যদিও আগেও বই কেনার তহবিল মিলেছে, এই প্রথম একসঙ্গে রাজ্যের সব অনুদানপ্রাপ্ত কলেজকে সমানভাবে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, এটিই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

নিউ আলিপুর কলেজের অধ্যক্ষ জয়দীপ সরাঙ্গি বলেন, “অনুদানটি আমাদেরকে বৈচিত্র্যময় CCF (Curriculum & Credit Framework) সিলেবাসের বই এবং রেফারেন্স সংগ্রহ করার সুযোগ দেবে। ই-লেকচার, ই-বুক ও AI-ভিত্তিক শিক্ষার প্রভাব থাকায় হাতে বই নিয়ে পড়ার উদ্দেশ্যে লাইব্রেরির ব্যবহার কমে গিয়েছিল। এই তহবিল শিক্ষার্থীদের আবার লাইব্রেরিতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় কাজ করবে।”

কিছু অধ্যক্ষ আশা করছেন যে বরাদ্দ দ্রুত বিতরণ হলে নতুন পাঠ্যক্রমের দাবি মেটানোর পাশাপাশি লাইব্রেরি-ভিত্তিক শেখার পরিবেশ, শিক্ষক ও ছাত্র দু’পক্ষের জন্যই নতুন গতি পাবে। কলেজগুলোও ধারণা করছে যে এই তহবিল শুধুমাত্র বই কেনার জন্যই নয়, এটি শিক্ষার গুণগত উৎকর্ষ এনে দিতে পারে যদি বইগুলো সিলেবাস ও রেফারেন্স হিসেবে সুন্দরভাবে বণ্টিত ও ব্যবহৃত হয়।

শিক্ষা বিভাগের ঘোষণার পরে বিভিন্ন কলেজ প্রশাসন তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে। জানানো হয়েছে, বই ও জার্নালের তালিকা তারা নিজ নিজ বিভাগের মাধ্যমে প্রস্তুত করবে। অনেকে বলছেন, ফিজিক্যাল বইয়ের গুরুত্ব অপরিবর্তিত, ছাত্রদের হাতে বই থাকলে আলোচ্য বিষয়গুলো আরও গভীরে অনুধাবন সম্ভব।

এই অনুদান বিতরণ শীঘ্রই সম্পন্ন হওয়ার কথা। কলেজ সচিবালয় ও উচ্চশিক্ষা দফতর থেকে বরাদ্দ এলেই শিক্ষাগত সহায়তা ও সিলেবাস-ভিত্তিক পাঠ্যসামগ্রীকে কেন্দ্র করে লাইব্রেরিগুলোতে সরবরাহ শুরু হবে। এটি রাজ্যের উচ্চশিক্ষার পাঠ্য পরিবেশে ইতিবাচক ছাপ ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।


```