
শেষ আপডেট: 21 November 2023 12:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উৎসবের মরশুমের মাঝেই রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত পড়তে পারে। কার্তিক মাস শেষ হয়ে অগ্রহায়ণ পড়ে গিয়েছে। ক্রমেই বাড়ছে বাতাসে হিমেল হাওয়া। আজ মঙ্গলবার জগদ্ধাত্রী পুজোর নবমী। গত দু’দিন ধরেই চন্দননগর, কৃষ্ণনগরে দর্শনার্থীদের ভিড় শুরু হয়ে গিয়েছে। তাহলে আজ কী থাকবে গরমের অস্বস্তি নাকি তাপমাত্রার পারদ আরও নামবে?
মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দক্ষিণবঙ্গের আকাশ থাকবে পরিষ্কার। সকাল সন্ধে শীতের আমেজেই কাটবে। দক্ষিণবঙ্গে সপ্তাহান্তে তাপমাত্রা আরো খানিকটা নামতে পারে। তবে রাজ্যে শীতের অনুকূল পরিস্থিতি থাকলেও পাকাপাকিভাবে এখনই শীত নয়।
আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, কলকাতার তাপমাত্রা আগামী ২৪ ঘন্টায় ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে থাকবে। সপ্তাহের শেষ দিকে কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির নিচে নেমে যেতে পারে। ইতিমধ্যে কুড়ি ডিগ্রির নিচে রয়েছে পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা। সপ্তাহের শেষ দিকে যা ১৫ ডিগ্রিতে পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী চার পাঁচ দিনে পশ্চিমবঙ্গের কম-বেশি জেলাগুলিতেই দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমবে
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে বৃহস্পতিবার। এই মুহূর্তে দুটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে বঙ্গোপসাগরে। সঙ্গে রয়েছে একটি অক্ষরেখা। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তামিলনাডু উপকূল এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত এবং অন্য ঘূর্ণাবর্তটি রয়েছে পুরোপুরি কোমোরিন এলাকায়। শ্রীলংকা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম ও পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় পর্যন্ত একটি পুবালি অক্ষরেখাও রয়েছে।
সাধারণত বর্ষা বিদায়ের পর থেকেই ধীরে ধীরে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন হয়। বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় দখিনা বাতাসের পরিবর্তে শুষ্ক, ঠান্ডা উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে শুরু করে। তার জেরেই তাপমাত্রা নামে। তবে বঙ্গোপসাগরে আচমকা কোনও ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপ তৈরি হলে উত্তুরে হাওয়া বাধা পায়। তাতে তাপমাত্রার পতনও থমকে যায়। তবে আপাতত তেমন কোনও সম্ভাবনা দেখছেন না আবহাওয়াবিদরা।