
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 17 April 2025 09:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃষ্টির পূর্বাভাস যেমন ছিল তেমনই থাকছে। তবে নতুন করে কালবৈশাখীর (Kalboishakhi) ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া দফতর (Weather Office)। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার কিছু জেলায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রবিবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে রাজ্যে। তার সঙ্গে থাকবে ঝোড়ো হাওয়াও।
দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রার খুব একটা বড়সড় পরিবর্তন হবে না। ঝড়, বৃষ্টি হলে তাপমাত্রা সামান্য কমবে; আবার রোদ উঠলে তাপমাত্রা বাড়বে। আগামী সোমবার আংশিক মেঘলা আকাশ হতে পারে। তবে মঙ্গলবার থেকে পরিষ্কার আকাশই থাকবে, তাপমাত্রাও বাড়বে হু হু করে।
কলকাতায় সকাল থেকে রোদের দাপট থাকলেও বেলার দিকে বেশিরভাগ সময়ে আপাতত আংশিক মেঘলা আকাশ থাকতে চলেছে। বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় দুপুরে কিছুটা অস্বস্তিবোধ থাকবে। বিকেল বা রাতের দিকে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে তাপমাত্রার বড়সড় পরিবর্তন নেই।
আজ শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৮ ডিগ্রি। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.২ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৪৮ থেকে ৮৮ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম ও পশ্চিম বর্ধমান জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ের পরিমাণ একটু বেশি হবে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। প্রায় ৬০ কিলোমিটার গতিবেগের দমকা হাওয়া বইতে পারে। বিক্ষিপ্তভাবে দু'এক জায়গায় কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি তৈরির সম্ভাবনা। শুক্রবার বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়, বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী জেলায়।
শনিবারও বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়, বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া জেলাতে। এর পরেও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি চলবে দক্ষিণবঙ্গে। তবে তার প্রভাব অনেকটা কমবে।
উত্তরবঙ্গেও দক্ষিণের মতো পরিস্থিতি রয়েছে। দার্জিলিং থেকে মালদহ পর্যন্ত সব জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়-বৃষ্টি। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝড় বাতাস বইতে পারে।
এই মুহূর্তে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা সিকিম থেকে উত্তর ওড়িশা পর্যন্ত বিস্তৃত, যেটি বাংলা এবং ঝাড়খণ্ডের উপর দিয়ে গেছে। পূর্ব মধ্যপ্রদেশ থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত আরও একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা যেটি ছত্তীসগড় ও ঝাড়খণ্ডের উপর দিয়ে এসেছে।