
ঘূর্ণিঝড় রেমাল।
শেষ আপডেট: 26 May 2024 10:18
দ্য ওয়াল ব্য়ুরো: সময় যত এগোচ্ছে ততই শক্তিশালী হয়ে উঠছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল!
হাওয়া অফিস সূত্রের খবর,, ইতিমধ্যে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে রেমাল। উত্তর বঙ্গোপসাগরে রেমালের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ১০৫ কিমি। রবিবার সকালে স্থলভাগের দিকে আরও ২০ কিমি এগিয়ে এসেছে।
ফলে দিঘা থেকে আর মাত্র ৩৯০ কিমি দূরে অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড়। একইভাবে সাগরদ্বীপ থেকে ২৭০ কিলোমিটার, ক্যানিং থেকে ৩১০ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশের খেপুপাড়া থেকে ২৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড়টি।
বাংলাদেশের মংলা অর্থাৎ যেখানে রেমালের আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা, সেখান থেকে ৩৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছে ওমান নামকরণ করা ঘূর্ণিঝড়।
শনিবার সন্ধ্যায় পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগর ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে অতি গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছিল। সবকিছু ঠিক থাকলে রবিবার মধ্যরাতে বাংলাদেশের মোংলার দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়বে বলে জানানো হয়েছিল। তবে যেহারে রেমাল নিজের শক্তি বাড়াচ্ছে তাতে সময়ের বেশ কিছুটা আগেই সেটি ল্যান্ডফল করতে পারে বলে মনে করছেন হাওয়া বিশেষজ্ঞরা।
ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড় রেমালের আগমনের জানান দিয়ে রবিবার সকাল থেকে কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। সঙ্গী ঝোড়ো হাওয়াও।
রেমালের দাপটে রবিবার প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। ১০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিম মেদিনীপুর ও পূর্ব বর্ধমানে। একইভাবে অতি ভারী বৃষ্টি হবে সোমবারও।
এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে প্রশাসন। বিশেষত, দুই চব্বিশ পরগনার সমুদ্র উপকূলবর্তী বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এলাকায়। বিদ্যুৎ দফতরের তরফে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে ছিঁড়ে পড়া বা ঝুলে থাকা বিদ্যুতের তার অথবা ভেঙে বা হেলে পড়া বিদ্যুতের খুঁটিতে হাত না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।