দ্য ওয়াল ব্যুরো : মাঝে মাঝে ললিত ভাটিয়ার ওপরে 'ভর করতেন' মৃত বাবা। ললিত দিল্লির বুরারির আত্মঘাতী পরিবারের এক সদস্য। তদন্তকারীদের ধারণা, ললিত হ্যালুশিনেশনে ভুগতেন। তাঁর বাবা মারা গিয়েছিলেন ২০০৭ সালে । কিন্তু ললিতের দাবি, তাঁর সঙ্গে বাবার নিয়মিত দেখা হত ।
পুলিশ জানতে পেরেছে, ললিতের ওপরে যখন বাবা 'ভর করতেন' তখন তাঁর ভাবভঙ্গি হয়ে যেত হুবহু বাবারই মতো। সেই অবস্থায় সে যা বলত, মৃত বাবার নির্দেশ বলে পরিবারের ওপর কেউ ডায়েরিতে লিখে নিতেন।
ডায়েরিতে লেখা আছে, ধনতেরাস পেরিয়ে গেল। তোমাদের কেউ একজন খুব বড় ভুল করেছে। মনে হয় তোমরা পরের দেওয়ালি দেখতে পাবে না। এই সতর্কতা হালকাভাবে নিলে ভুল করবে।
ডায়েরির আর এক জায়গায় লেখা আছে, আরও কয়েকজনের আত্মা আমার সঙ্গী হয়েছে। তারা হল সজ্জন সিং, হিরা, দয়ানন্দ এবং গঙ্গা দেবী।
যাদের নাম উলেখ করা হয়েছে, তারা ভাটিয়া পরিবারের আত্মীয়। প্রত্যেকেই মারা গিয়েছেন।
ডায়েরিতে ললিতের বাবার নাম করে লেখা আছে, ওই সব আত্মার মুক্তি হয়নি। তারা মুক্তি চায়।
ডায়েরির নানা জায়গায় ললিতের 'মৃত পিতার আত্মা'-র নামে আরও ছোটোখাটো মন্তব্য লেখা আছে। এক জায়গায় বলা আছে, ধ্রুব সারাক্ষণ ফোনে কথা বলে। এমনটা ভালো নয়।
আর এক জায়গায় বলা আছে, পরিবারের সকলে যেন ললিতের মতো হওয়ার চেষ্টা করে।
পুলিশের ধারণা, ললিত সবাইকে বুঝিয়েছিল, গলায় দড়ি দিলেও কেউ মরবে না। বরং তাদের বাবা খুশি হয়ে অনন্ত সুখের পথে নিয়ে যাবেন।