স্কুল সার্ভিস কমিশনের একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশিত।
.png.webp)
ব্রাত্য বসু
শেষ আপডেট: 8 November 2025 12:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রকাশিত হল স্কুল সার্ভিস কমিশনের (WBSSC) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ফলাফল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বৃহস্পতিবার সন্ধেয় প্রকাশিত হয় এই ফল। কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর রাজ্যজুড়ে নেওয়া হয়েছিল লিখিত পরীক্ষা। ৬০ নম্বরের এই পরীক্ষায় মোট ৩৫টি বিষয়ের জন্য প্রার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষায় বসেছিলেন মোট ২,২৯,৬০৬ জন প্রার্থী। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মোট ৪৭৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হয়েছিল। তারপরেই রাজ্য সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু একটি টুইট করেন।
ব্রাত্য বসু পোস্টে লেখেন, 'আজ ওয়েস্ট বেঙ্গল সেন্ট্রাল স্কুল সার্ভিস কমিশন একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করল। আমাদের প্রিয় মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপদেশ ও অভিভাবকত্বে, রাজ্য ও জেলা প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতায় স্বচ্ছতার সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষা আজ নতুন আশার দ্বার উন্মোচন করল।'
এখানেই শেষ নয়। চাকরি হারা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উদ্দেশে লিখেছেন, 'এই ফল প্রকাশ কেবলমাত্র একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং ডিসেম্বরের মধ্যেই নতুন নিয়োগের বাস্তবায়নের পথে এক অনন্য অগ্রযাত্রা - এক প্রতিশ্রুতির পূর্ণতা। চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উদ্দেশে রাজ্য সরকারের আন্তরিক বার্তা হল-আপনাদের দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই। রাজ্য সরকার সর্বতোভাবে আপনাদের পাশে আছে। প্রতিটি পদক্ষেপ হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে এবং আস্থা রাখুন এই প্রত্যয়ে যে, আপনার অপেক্ষা, যোগ্যতা ও নিষ্ঠার মূল্য রাজ্য সর্বদা সম্মান করবে।'

নিয়ম অনুযায়ী, পরবর্তী ধাপে হবে নথি যাচাই (Document Verification)। এই যাচাই প্রক্রিয়ার সময়সূচি প্রকাশিত হবে প্রাথমিক সাক্ষাৎকার তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে। এছাড়াও কমিশন জানিয়েছে, নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ফলাফল প্রস্তুতির কাজ চলছে এবং তা শিগগিরই প্রকাশিত হবে।
ফলাফল ঘোষণার পর প্রথমে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির প্রার্থীদের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তারপর নবম-দশম শ্রেণির নথি যাচাই ও ইন্টারভিউ নেওয়া হবে। দুই স্তর মিলিয়ে মোট শূন্যপদ ৩৫,৭২৬টি। এর মধ্যে একাদশ-দ্বাদশ স্তরে শূন্যপদ রয়েছে ১২,৫১৪টি।
এই পর্যায়ে আবেদন করেছিলেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৪৩ জন প্রার্থী, যার মধ্যে ৩,১২০ জন বিশেষভাবে সক্ষম। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন প্রায় ৯৩ শতাংশ প্রার্থী। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি ১০০টি শূন্যপদের জন্য ডাক পাবেন ১৬০ জন চাকরিপ্রার্থী। অর্থাৎ, মোট ৩৫,৭২৬টি শূন্যপদের জন্য ইন্টারভিউর ডাক পেতে পারেন প্রায় ৬০ হাজার প্রার্থী।