
শেষ আপডেট: 31 March 2024 20:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির প্রতিটি সেমেস্টারেই পাশ করতে হবে। তবেই পরবর্তী সেমেস্টারে উত্তীর্ণ হওয়া যাবে। অর্থাৎ উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের প্রতিটি সেমেস্টারে পাশ-ফেল থাকবে। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।
২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকেই নতুন পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হচ্ছে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় যে সেমেস্টার ব্যবস্থা চালু হতে চলেছে তা সবার আগে লিখেছিল দ্য ওয়াল। সেই মতো ঘোষণাও হয়ে গেছে। সংসদ সূত্রের খবর, প্রতিটি সেমেস্টারের প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম নম্বর না পেলে পড়ুয়ারা পাশ করতে পারবেন না। ন্যূনতম কত নম্বর পেলে পড়ুয়ারা পাশ করবেন, এপ্রিলেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে সংসদ।
উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব প্রিয়দর্শনী মল্লিক জানিয়েছেন, প্রত্যেকটা সেমিস্টারের একটা নিজস্ব পাশ নম্বর থাকবে। অর্থাৎ একটা সেমিস্টার থেকে পরবর্তী সেমিস্টারে উত্তীর্ণ হতে গেলে পরীক্ষার্থীদের একটা নির্দিষ্ট শতাংশ নম্বর পেতেই হবে।
আসলে সেমেস্টার প্রক্রিয়া চালু করলেও মূল্যায়নের মান যাতে না পড়ে যায়, তা নিশ্চিত করার উপরে জোর দিচ্ছে সংসদ। দেশের সব রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই প্রথম স্কুলস্তরে সেমেস্টার প্রক্রিয়া চালু করেছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। প্রতিটি সেমেস্টারেই পড়ুয়াদের ন্যূনতম নম্বর পেতে হবে। অর্থাৎ প্রতিটি সেমেস্টারে পাশ করতে হবে বলে জানিয়েছেন সংসদের সচিব।
২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে সেমিস্টার প্রথা চালু হচ্ছে। অর্থাৎ যে পড়ুয়ারা এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে, তারাই উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সেমেস্টার ব্যবস্থার প্রথম ব্যাচ হতে চলেছে। সংসদের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, একাদশ ও দ্বাদশ মিলিয়ে মোট চারটি সেমিস্টারের মধ্যে প্রথম তিনটি অর্থাৎ একাদশের দুটি ও দ্বাদশের প্রথম সেমেস্টারের পরীক্ষা দেড় ঘণ্টার হবে। এবং দ্বাদশের দ্বিতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষা ২ ঘণ্টার হবে। অর্থাৎ বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দ্বাদশের শেষ সেমিস্টারকে। সংসদ সূত্রের খবর, এই গুরুত্বের বিচারেই কোন সেমিস্টারে ন্যূনতম কত নম্বর পেলে পরীক্ষার্থীকে উত্তীর্ণ হিসেবে গণ্য করা হবে, তা সেমিস্টার ভিত্তিতে ভিন্ন হতে পারে।