
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 18 May 2024 15:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। একের পর বড় নির্দেশ দিয়েছে আদালত। নিয়োগ সংক্রান্ত একগুচ্ছ মামলা আদালতে বিচারাধীনও রয়েছে। এরই মধ্যে শিক্ষকদের যোগ্যতার প্রমাণ দেওয়ার নির্দেশিকা জারি করল শিক্ষা দফতর।
কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর একটি নির্দেশিকার উপর ভিত্তি করেই শিক্ষকদের যোগ্যতা প্রমাণের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা দফতর। রাজ্যের প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজারের বেশি শিক্ষককে নথি দিয়ে যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে। যার জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আগামী ২৭ মে পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।
যোগ্যতা প্রমাণের জন্য ঠিক কী কী নথি দিতে হবে? বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চাকরিরত শিক্ষকদের এসএসসির শংসাপত্র, সর্বশেষ নিয়োগপত্র, বর্তমান চাকরির প্রমাণপত্র দিতে হবে। যাদের নিয়োগ এসএসসির মাধ্যমে হয়নি তাঁদের ‘অ্যাপ্রুভাল মেমো’ জমা দিতে হবে।
সমস্ত নথির হার্ড কপি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বা শিক্ষিকার মাধ্যমে ডিআইদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরকারি ওয়েবসাইটে জমা করতে হবে। এছাড়াও সমস্ত নথি জমা দেওয়ার জন্য আইওএমএস নামে একটি পোর্টাল খোলা হয়েছে। সেখানে লগ ইন করে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের এসএসসি ডাটা সাবমিশন মেনুতে গিয়ে নথিপত্র জমা দিতে হবে।
এদিকে সরকারের এই নির্দেশিকায় শিক্ষক মহলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে। তাঁদের বক্তব্য, যাঁরা অবসরের দোড়গোড়ায় দাঁড়িয়ে, তাঁদের পুরনো নথি খুঁজে পেতে সমস্যা হতে পারে। তাই দুর্নীতিতে নিযুক্ত শিক্ষকদের জন্য বাকিরা কেন সমস্যা পোহাবেন, প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষকদের একাংশ।
গত এপ্রিল মাসে ২০১৬ সালের গোটা প্যানেলই বাতিলের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। এক ধাক্কায় চাকরি যায় ২৫,৭৫৩ জনের। যদিও হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চের সেই নির্দেশে আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।